দাম্মাম বিমানবন্দরে আগুন নেভাতে গিয়ে সুলতান আল-কাহতানির মৃত্যু
সুলতান আল-কাহতানির বাবা জানিয়েছেন, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন নেভাতে গিয়ে বুকে ব্যথা অনুভব করেন সুলতান, পরে হাসপাতালে মারা যান।
মূল বিষয়
AIসুলতান আল-কাহতানির বাবা আলি আল-কাহতানি জানিয়েছেন, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি হামলার পর আগুন নেভাতে সহকর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন সুলতান। আগুন ছড়িয়ে পড়ে বিমান ও যাত্রীদের ক্ষতি হতে পারে—এ আশঙ্কায় তিনি দ্রুত সহকর্মীদের নিয়ে এগিয়ে যান এবং বিস্ফোরণের শব্দ শুনেই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
আলি আল-কাহতানি সৌদি টেলিভিশন চ্যানেল 'আল-ইখবারিয়া'কে বলেন, আগুন লাগার সময় সুলতান বিমানবন্দরের ১৯ ও ২০ নম্বর গেটের মধ্যে ডিউটিতে ছিলেন। সহকর্মীদের নিয়ে তিনি আগুনের স্থানে যান এবং অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
তিনি আরও জানান, আগুন নেভানোর পর সুলতান অফিসে ফিরে আসেন, কিন্তু তখন বুকে ব্যথা অনুভব করেন। সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে যেতে বলেন। প্রথমে তাকে জার্মান হাসপাতালে, পরে কেন্দ্রীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
ছেলের মৃত্যুর খবর কীভাবে পান—এ প্রসঙ্গে আলি আল-কাহতানি বলেন, রাত দেড়টার দিকে সুলতানের ভাই, যিনি তার সঙ্গেই কাজ করেন, পরিবারের অন্য সদস্যদের খবর দেন। এরপরই তিনি ছেলের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
এক্স-এ টুইটটি দেখুন
আলি আল-কাহতানি জানান, সুলতান বিবাহিত ছিলেন এবং তার ছয় সন্তান রয়েছে—দুই ছেলে ও চার মেয়ে। ছেলের মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোক নেমে এসেছে।
এক্স-এ টুইটটি দেখুন
তিনি বলেন, 'সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে, আমরা তাঁর ফয়সালায় সন্তুষ্ট। সুলতান সবার প্রিয় সন্তান ছিল। তার মৃত্যুতে পরিবারে গভীর শোক নেমেছে। আমরা আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করি এবং তাকে দেশের সেবায় শহিদ হিসেবে গণ্য করি।'
