সৌদি আরবে হাশিশ পাচারের দায়ে ৩ ইথিওপিয়ানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
আসির অঞ্চলে হাশিশ পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত তিন ইথিওপিয়ানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মূল বিষয়
AIসৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ আসির অঞ্চলে কয়েকজন অপরাধীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে কোরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে: ‘পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পর অশান্তি সৃষ্টি করো না’, ‘ভূমিতে অনাচার করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ অনাচারীদের পছন্দ করেন না’, এবং ‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে, তাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, শূলবিদ্ধকরণ, হাত-পা বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলা বা দেশ থেকে নির্বাসন—এটাই তাদের জন্য দুনিয়ার লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি।’
সনি রেদি আকুস কোরজকর, শেনাফি তেকাই আনবায়ে ব্রাহে ও মারসু নেগুস আকালো তেলে—এই তিন ইথিওপিয়ান নাগরিক সৌদি আরবে হাশিশ পাচারে জড়িত ছিলেন।
আল্লাহর কৃপায় নিরাপত্তা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করে। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। আপিলের পরও রায় বহাল থাকে এবং সৌদি সুপ্রিম কোর্টও তা অনুমোদন করে। এরপর বাদশাহর আদেশে রায় কার্যকর করা হয়।
২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর, বুধবার আসির অঞ্চলে সনি রেদি আকুস কোরজকর, শেনাফি তেকাই আনবায়ে ব্রাহে ও মারসু নেগুস আকালো তেলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরব সরকার নাগরিক ও বাসিন্দাদের মাদকদ্রব্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে এবং মাদক পাচার ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। কারণ এসব অপরাধে নিরীহ মানুষের জীবনহানি, সমাজে ব্যাপক অনাচার ও অধিকার লঙ্ঘন হয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় সবাইকে সতর্ক করেছে, এ ধরনের অপরাধে জড়ালে কঠোর শাস্তি অপেক্ষা করছে।
আল্লাহ সঠিক পথের দিশারি।
