বিদেশি হাজিদের সেবাদানকারী কোম্পানির মূল্যায়ন প্রকাশ
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ১৪৪৭ হিজরি মৌসুমে বিদেশি হাজিদের সেবাদানকারী কোম্পানির মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করেছে, সেবার মানোন্নয়ন ও স্বচ্ছতা বাড়াতে।
মূল বিষয়
AIহজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ১৪৪৭ হিজরি হজ মৌসুমে বিদেশি হাজিদের সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোর মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করেছে। এটি অতিথি হাজিদের সেবার মানোন্নয়ন এবং সৌদি ভিশন ২০৩০ ও অতিথি হাজিদের সেবা কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জনে মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মূল্যায়নে হাজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানি, সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ কোম্পানি এবং সরাসরি হজ মডেলে কাজ করা কোম্পানিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে: প্রথম শ্রেণি (উৎকৃষ্ট পারফরম্যান্স), দ্বিতীয় শ্রেণি (খুব ভালো পারফরম্যান্স) এবং তৃতীয় শ্রেণি (ভালো পারফরম্যান্স), অনুমোদিত মূল্যায়ন ফলাফলের ভিত্তিতে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই মূল্যায়ন প্রতিবছর হজ মৌসুম শেষে হালনাগাদ করা হয় এবং দুটি প্রধান মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে: ৬০% ওজন দেয়া হয়েছে নিয়ম মেনে চলা ও দায়বদ্ধতাকে, এবং ৪০% দেয়া হয়েছে সেবার মানের ওপর। এটি মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ, নথিভুক্ত তথ্য ও হাজিদের সন্তুষ্টি যাচাইয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগে আপত্তি ও আপিলগুলোও পর্যালোচনা ও নিষ্পত্তি করা হয়, যাতে নির্ভুলতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।
স্বচ্ছতা ও উন্নয়নে উৎসাহ
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূল্যায়নের ফল প্রকাশের উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে ফলাফলের বিষয়ে অবহিত করা এবং সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোকে নিজেদের কার্যক্রম আরও উন্নত করতে উৎসাহিত করা। এতে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি ও সেরা পরিচালন পদ্ধতি গ্রহণে উৎসাহিত হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ১৪৪৭ হিজরি হজ মৌসুমে বিদেশি হাজিদের সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোর মূল্যায়নের বিস্তারিত ফল জানতে আগ্রহীরা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন।
