সিরিয়ায় গ্যাস রপ্তানি লাইনে বিস্ফোরণ, নাশকতার অভিযোগ
সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি জানিয়েছে, হাসাকা প্রদেশে গ্যাস রপ্তানি লাইনে বিস্ফোরণ ঘটেছে, যা নাশকতার কারণে হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
মূল বিষয়
AIসিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে হাসাকা প্রদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে জাবসা গ্যাস প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস রপ্তানির লাইনে বিস্ফোরণ ঘটে, এতে লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কোম্পানি জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তের পর প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতা।
এক বিবৃতিতে কোম্পানি জানিয়েছে, টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে, বিস্ফোরণের পরপরই কূপগুলো বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, নিরাপত্তা ভালভ বন্ধ করা হয়েছে এবং পুরো এলাকা নিরাপদ করা হয়েছে। এতে কোনো কর্মী আহত হননি। কোম্পানির কর্মীরা প্রথম মুহূর্ত থেকেই ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছেন এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। মেরামতের দল ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।
কোম্পানি আরও জানিয়েছে, গ্যাস প্রবাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন টারবাইন সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। এ অবস্থায়, বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে সিরিয়ান ইলেকট্রিসিটি কোম্পানির সঙ্গে সমন্বয় করে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কোম্পানি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
কোম্পানি আরও জানিয়েছে, তাদের মালিকানাধীন তেল ও গ্যাস স্থাপনা এবং পরিবহন লাইনগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারা বলেছে, এসব স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা মানে দেশের প্রতিটি মানুষের সেবাকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং কঠিন পরিস্থিতিতে কর্মরত কর্মীদের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করা।
কোম্পানি জানিয়েছে, লাইনের মেরামত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ চলবে। তারা অনুরোধ করেছে, এ বিষয়ে তথ্যের জন্য শুধু তাদের অফিসিয়াল চ্যানেলকেই নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করতে এবং অন্য কোনো সূত্র থেকে প্রচারিত তথ্য প্রচার না করতে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি সিরিয়ান পেট্রোলিয়াম কোম্পানি হাসাকার জাবসা গ্যাসক্ষেত্র থেকে হোমসের পার্শ্ববর্তী ফারক্লাস গ্যাস প্ল্যান্টে ৩৫ বার চাপে কাঁচা গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছিল, যা উৎপাদন বাড়াতে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
