ওমরাহ ও জিয়ারতের অতিথিদের সৌদি আরবের আতিথেয়তার প্রশংসা
ওমরাহ ও জিয়ারতের অতিথিরা সৌদি আরবের আতিথেয়তা, সেবার মান ও চমৎকার ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেছেন।
মূল বিষয়
AIওমরাহ ও জিয়ারতের জন্য বাদশাহ সালমানের অতিথি কর্মসূচির চতুর্থ দফার অতিথিরা সৌদি আরবের আন্তরিক আতিথেয়তা, যত্ন ও মনোযোগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা তাঁদের জন্য দেওয়া সেবার মান, সুন্দর ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশে ওমরাহ পালনের সুযোগের প্রশংসা করেছেন।
ভারতের ওমরাহযাত্রী মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর থেকেই তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, আতিথেয়তা ও চমৎকার ব্যবস্থাপনা তাঁকে মুগ্ধ করেছে। তিনি জানান, অতিথি কর্মসূচির আওতায় দেওয়া সেবাগুলো তাঁদের সহজে ও নির্বিঘ্নে ওমরাহ পালনে সহায়তা করেছে।
পাকিস্তানের ওমরাহযাত্রী আবদুল বাসিত ফারোশ সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মসজিদুল হারামের মাতাফে পৌঁছে কাবা শরিফ দেখার মুহূর্তটি ছিল তাঁর জীবনের বিশেষ অভিজ্ঞতা, যেখানে তিনি আনন্দ ও গভীর শ্রদ্ধাবোধে আপ্লুত হন। তিনি কর্মসূচির আয়োজকদের জন্য আল্লাহর কাছে উত্তম প্রতিদানের দোয়া করেন।
বাংলাদেশের ওমরাহযাত্রী মোহাম্মদ জান আলম ১৯ বছর পর আবার মসজিদুল হারামে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, কাবা শরিফ পুনরায় দেখা ও তাওয়াফ করার সুযোগ তাঁকে আনন্দ, শ্রদ্ধা, প্রশান্তি ও নিরাপত্তার অনুভূতি দিয়েছে। এ সফর তাঁর জীবনের অন্যতম সুন্দর স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।
নিউজিল্যান্ডের ওমরাহযাত্রী আসরারুল হক উবাইদুল্লাহ বলেন, মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন ও নামাজ আদায় মুসলিমদের ভ্রাতৃত্ব ও সমতার প্রতীক। তিনি জানান, বিশ্বের নানা দেশের ও ভাষার মুসলিমদের কাবা শরিফের চারপাশে একত্রিত হওয়া মুসলিমদের ঐক্য ও সংহতির প্রতিফলন এবং ইসলামের মহান মূল্যবোধের পরিচয় বহন করে।
বাদশাহ সালমানের ওমরাহ ও জিয়ারত কর্মসূচি ইসলামিক বিষয়ক, দাওয়াত ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এতে অতিথিদের আতিথেয়তা, যত্ন ও ওমরাহ পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সেবা নিশ্চিত করা হয়।
