১.৩ মিলিয়ন রিয়ালে বিক্রি ‘মাথলুথ জিয়ার’ বাজ, জানালেন কানাডিয়ান খামারের প্রতিনিধি
কানাডিয়ান খামারের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ১.৩ মিলিয়ন রিয়ালে ‘মাথলুথ জিয়ার সুপার হোয়াইট’ বাজ বিক্রি তার বিরল গুণমান ও অসাধারণ মূল্যকে তুলে ধরে।
মূল বিষয়
AI২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক বাজ উৎপাদনকারী খামারগুলোর নিলামে অংশ নেওয়া কানাডিয়ান খামারের প্রতিনিধি ফারিস আবদুল্লাহ আল-ফারিস জানিয়েছেন, ‘মাথলুথ জিয়ার সুপার হোয়াইট’ বাজটি ১৩ লাখ সৌদি রিয়ালে বিক্রি হওয়া তার ব্যতিক্রমী মান ও বিরল বৈশিষ্ট্যের স্বীকৃতি। তিনি বলেন, এ মানের বাজ উৎপাদনে বহু বছরের অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রয়োজন।
ফারিস জানান, নিলামের সপ্তম রাতে বিক্রি হওয়া বাজটি তার বৈশিষ্ট্য ও মানের কারণে উচ্চমূল্যে বিক্রির জন্য শুরু থেকেই অন্যতম প্রার্থী ছিল। খামারটি নিলামের শুরু থেকেই অংশ নিচ্ছে এবং বাজের দৌড় ও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় সুপরিচিত।
তিনি আরও বলেন, বাজটির এমন দামে বিক্রি হওয়ার পূর্বাভাস ছিল তার বৈশিষ্ট্যের কারণেই, যা বাস্তবেও ঘটেছে। এটি নিলামের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া ‘মাথলুথ জিয়ার’।
ফারিস জানান, এই মানের বাজ উৎপাদনে বহু বছরের পরিশ্রম লাগে। খামারটি বিশ্বের প্রাচীন বাজ উৎপাদনকারী খামারগুলোর একটি, যার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে। তারা ধারাবাহিকভাবে উৎপাদনের মান ধরে রেখেছে এবং উন্নত করেছে। তাদের উৎপাদিত বাজের বংশধারা এখন বিশ্বের বিভিন্ন খামারে উৎপাদনের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তিনি জানান, বিক্রি হওয়া বাজটি পুরুষ। যদি এটি মেয়ে বাজ হতো, তাহলে দাম আরও বাড়তে পারত, কারণ উৎপাদন ও বংশ সংরক্ষণে মেয়ে বাজের গুরুত্ব বেশি।
ফারিস আরও জানান, নিলামে তারা আরও একটি দৌড়ের বাজ উপস্থাপন করেছিলেন, যা ১ লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়ালে বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেন, তাদের বাজের এমন সফল বিক্রি প্রমাণ করে, বাজপ্রেমী ও সংশ্লিষ্টদের কাছে তাদের উৎপাদন কতটা সমাদৃত।
আন্তর্জাতিক বাজ উৎপাদনকারী খামারগুলোর নিলামে উচ্চমূল্যের লেনদেন অব্যাহত রয়েছে। এর আগে এক বাজ ১৭ লাখ ৫০ হাজার সৌদি রিয়ালে বিক্রি হয়েছিল। এতে প্রমাণিত হয়, বিশ্বজুড়ে উৎপাদক, বাজপ্রেমী ও ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করেছে এই নিলাম, যা বিশ্বমানের খামারগুলোকে একত্রিত করে এবং তাদের উৎপাদন বাজারজাতের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।
