সৌদি আরবের পূর্ব–পশ্চিম পাইপলাইনে হামলার বিরুদ্ধে আরব ও আন্তর্জাতিক সংহতি
সৌদি আরবের রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে পূর্ব–পশ্চিম পাইপলাইনে হামলার প্রতিবাদে আরব ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সংহতির ঢেউ উঠেছে।
মূল বিষয়
AIসৌদি আরবের রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে পূর্ব–পশ্চিম পাইপলাইনে হামলার প্রতিবাদে আরব ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সংহতির ঢেউ উঠেছে।
মিশর এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে। তারা যেকোনো হুমকির মুখে রিয়াদের পাশে থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতও এই হামলাকে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের ওপর স্পষ্ট আঘাত এবং দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলে নিন্দা জানিয়েছে। তারা সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সব ধরনের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা বলেছে। আমিরাত আরও বলেছে, এই হামলা বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন।
পাকিস্তান আবারও সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা সৌদি নেতৃত্ব, সরকার ও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা অতীতেও শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।
ইরাক সরকারও হামলাগুলো নিন্দা জানিয়ে বলেছে, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো হামলা তারা মেনে নেবে না এবং দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় ভ্রাতৃসুলভ সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। ইরাক সরকার সৌদি আরবের অবস্থান ও পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরাকের প্রচেষ্টার প্রতি সৌদি আরবের ইতিবাচক সাড়া দেওয়াকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তারা বলেছে, এতে সৌদি আরবের ইরাকের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি আন্তরিকতা এবং দুই দেশের স্বার্থে সহযোগিতার ধারাবাহিকতা প্রতিফলিত হয়েছে।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আলি ফালেহ আল-জাইদি হামলার ঘটনা তদন্তে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরাক সরকার জানিয়েছে, তারা এই ধরনের হামলা প্রতিরোধে প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর, যাতে ইরাকের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে এবং অঞ্চলে তাদের ইতিবাচক ভূমিকা জোরদার হয়।
সৌদি তেল পাইপলাইনে হামলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সবকিছু ঠিক থাকবে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই হামলার জন্য সম্ভবত ইরান দায়ী।
