শিশু ও কিশোরদের মঞ্চনাটকে এগিয়ে কিং আবদুল আজিজ গ্রন্থাগার
কিং আবদুল আজিজ গ্রন্থাগার শিশু ও কিশোরদের জন্য মানসম্পন্ন মঞ্চনাটক উপস্থাপন ও প্রতিভা বিকাশে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিশু বিভাগের পরিচালক সুন্দুস শরীফ।
মূল বিষয়
AIকিং আবদুল আজিজ গ্রন্থাগার, বিশেষ করে শিশুদের জন্য নির্ধারিত শাখাগুলো, সৌদি আরবের মঞ্চনাটকের জগতে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করছে। তারা শিশু ও কিশোরদের জন্য মানসম্পন্ন নাটক তৈরি ও উপস্থাপনের পাশাপাশি ‘রুহ সৌদিয়া’ ও ‘ঈশহা’সহ নানা বড় সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে। গ্রন্থাগারের বিভিন্ন শাখায় তাদের নিজস্ব মঞ্চগুলোকে সক্রিয় করে তুলেছে, যা এখন সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
গ্রন্থাগারটি উদীয়মান প্রতিভা খুঁজে বের করতে এবং শিশু ও কিশোরদের জন্য অডিশনের আয়োজন করেছে, যাতে তারা বাস্তব মঞ্চনাটকের অভিজ্ঞতা নিতে পারে। নাট্যকার, পরিচালক, অভিনেতা, বিশেষজ্ঞ ও শৌখিনদেরও যুক্ত করা হয়েছে, ফলে শিশুদের জন্য নাট্যজগতের বিষয়বস্তু সমৃদ্ধ হয়েছে এবং নতুন সৃজনশীলদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
শিশুদের গ্রন্থাগারের ভূমিকা
কিং আবদুল আজিজ গ্রন্থাগারের শিশু বিভাগের পরিচালক সুন্দুস শরীফ বলেন, শিশুদের মঞ্চনাটকে বিনিয়োগ করা গ্রন্থাগারের সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানচর্চার ধারাবাহিকতা। তিনি জানান, মঞ্চনাটক শিশু ও কিশোরদের নিজেকে প্রকাশ, দক্ষতা ও ভাষা, সামাজিক ও শিল্পকলার বিকাশের সুযোগ দেয়।
শরীফ বলেন, ‘শিশুদের গ্রন্থাগারের কাজ শুধু মঞ্চনাটক উপস্থাপনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং নাট্যজগতের নানা পর্যায়ে—নাট্যপাঠ, প্রতিভা অন্বেষণ, অডিশন, প্রশিক্ষণ, প্রযোজনা থেকে শুরু করে মঞ্চে উপস্থাপন পর্যন্ত—তাদের সম্পৃক্ত করা হয়। আমরা শিশুদের শুধু দর্শক হিসেবে নয়, বরং শিল্পসৃষ্টির অংশীদার ও ভবিষ্যতের নির্মাতা হিসেবে দেখি।’
শরীফ আরও জানান, গ্রন্থাগারের বিভিন্ন শাখায় মঞ্চ সক্রিয় করার ফলে মঞ্চকর্মীদের জন্য সুযোগ বেড়েছে এবং অভিজ্ঞদের সঙ্গে নতুনদের মেলবন্ধন ঘটেছে। এতে নাট্যকার, পরিচালক, অভিনেতা ও শৌখিনরা অংশগ্রহণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে শিশু ও কিশোরদের সৃজনশীল শক্তি আবিষ্কৃত হয়েছে, পাশাপাশি শিশুদের জন্য নাট্যলেখনায় নতুন প্রতিভা খুঁজে পাওয়া গেছে। এসব প্রতিভা বিকাশ ও সমর্থন করা সৌদি মঞ্চনাটকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।
শরীফ বলেন, ‘শিশুদের গ্রন্থাগারে মঞ্চনাটক কোনো সাময়িক কার্যক্রম নয়, বরং এটি আমাদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম ধারা, যার মাধ্যমে আমরা মানুষের বিকাশ, শিল্পবোধ জাগ্রতকরণ এবং নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে চাই।’
এসব উদ্যোগ কিং আবদুল আজিজ গ্রন্থাগারের সাংস্কৃতিক ও শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতার প্রতিফলন। জ্ঞান ও সৃজনশীলতার কেন্দ্র হিসেবে গ্রন্থাগারটি জাতীয় প্রতিভা আবিষ্কার, বিকাশ এবং দেশের সাংস্কৃতিক ও মঞ্চনাটকের জগৎ সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রাখছে।



