বাইআতের ১২ বছর: মানুষের অগ্রগতিই সৌদি উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু
বাইআতের ১২তম বার্ষিকীতে বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে শুভেচ্ছা জানালেন ফাহাদ আল-আজলান, বললেন—মানুষই এখন উন্নয়নের মূল কেন্দ্র।
মূল বিষয়
AIআজলান অ্যান্ড ব্রাদার্স গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ফাহাদ আল-আজলান বাইআতের ১২তম বার্ষিকী উপলক্ষে পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
ফাহাদ আল-আজলান বলেন, ‘এ বছর বাইআতের বার্ষিকী এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সৌদি আরব তার আধুনিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের সুফল ভোগ করছে। সৌদি ভিশন ২০৩০ ঘোষণার এক দশক পর, বড় পরিবর্তনগুলো এখন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে—নাগরিকরা সুযোগের প্রসার, সেবার মানোন্নয়ন, জীবনের মান বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতীয় দক্ষতার অংশগ্রহণ প্রত্যক্ষ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সৌদি পরিবর্তনের বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু অবকাঠামো বা নীতিমালা উন্নয়নে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী, আত্মবিশ্বাসী মানুষ এবং আরও প্রাণবন্ত, অংশগ্রহণমূলক সমাজ গঠনে বিস্তৃত হয়েছে। আজ সৌদি নাগরিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে; জাতীয় স্বপ্নগুলো বাস্তব অর্জনে রূপ নিচ্ছে।’
আজলান জানান, বাদশাহ সালমানের দিকনির্দেশনা ও যুবরাজের তত্ত্বাবধানে সৌদি আরব বৈশ্বিক পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছে, যা জাতীয় অর্জন রক্ষা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। তিনি বলেন, সৌদি অভিজ্ঞতার শক্তি এর লক্ষ্য স্পষ্টতা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং চ্যালেঞ্জকে নতুন অগ্রগতির সুযোগে রূপান্তরের সক্ষমতায় নিহিত।
তিনি আরও বলেন, যুবক ও নারীদের ক্ষমতায়ন এখন শুধু সুযোগ সৃষ্টি নয়, বরং নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের সরাসরি অংশগ্রহণে পৌঁছেছে। তারা অর্থনীতি, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, যা মানবসম্পদ উন্নয়নে নেতৃত্বের বিনিয়োগের প্রতিফলন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরবে জীবনের মানোন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে—শহর, স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল সেবা উন্নয়ন, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও বিনোদন বিকাশ, স্বাস্থ্যকর জীবনধারার প্রসার এবং সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ বেড়েছে। এসব অর্জন শুধু প্রকল্পের সংখ্যা দিয়ে নয়, বরং নাগরিক, পরিবার ও সমাজে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব দিয়েই মূল্যায়িত হয়।
আজলান তাঁর বক্তব্য শেষ করেন এভাবে: ‘বাইআতের ১২তম বার্ষিকীতে আমরা গর্বিত, কারণ বাদশাহ সালমানের শাসনামলে সৌদি আরব ঐতিহাসিক রূপান্তর দেখেছে, যেখানে মানুষের অগ্রগতিই উন্নয়নের মূল কেন্দ্র। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন বাদশাহ ও যুবরাজকে সুস্থ রাখেন, আমাদের দেশকে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি দান করেন এবং সৌদি আরবকে আরও উন্নত ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিয়ে যান।’
