মূল বিষয়বস্তুতে যান
বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
সৌদি আরব

সৌদি আরবে প্রথমবার মিশরীয় সেবদ পাখির বাসা ও বংশবৃদ্ধির প্রমাণ

কিং আবদুলআজিজ রয়্যাল সংরক্ষণাগারে প্রথমবারের মতো বিরল মিশরীয় সেবদ পাখির বাসা বাঁধা ও বংশবৃদ্ধির নিশ্চিত প্রমাণ মিলেছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে দেশের নতুন সাফল্য।

আজেল বাংলা49 মিনিট আগে · 1 মিনিট পড়া
মিশরীয় সেবদ পাখি ও তার ডিম কিং আবদুলআজিজ সংরক্ষণাগারে

মূল বিষয়

AI

কিং আবদুলআজিজ রয়্যাল সংরক্ষণাগার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সৌদি আরবে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নতুন এক বৈজ্ঞানিক ও পরিবেশগত সাফল্য অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ‘Applied Ecology and Environmental Research’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে প্রথমবারের মতো সংরক্ষণাগারটির ভেতরে বিরল মিশরীয় সেবদ পাখির বাসা বাঁধা ও বংশবৃদ্ধির নিশ্চিত প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘মাল্লিহি আর-রাইয়ান’ নামে পরিচিত এই পাখিটি মরুভূমির রাতচরা এবং খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। এটি আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থার (IUCN) লাল তালিকায় ‘কম উদ্বেগ’ (LC) হিসেবে তালিকাভুক্ত। মরুভূমি পরিবেশে বন্যপ্রাণীর বিস্তার বোঝার ক্ষেত্রে এই আবিষ্কার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

গবেষণাটি সংরক্ষণাগারের ‘উম আল-যিয়াবা’ নামের একটি মৌসুমি জলাভূমি থেকে শুরু হয়। মাঠ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, পাখিটি মাটির ওপর সরাসরি দুটি ডিম পেড়ে ছিল, যা এদের স্বাভাবিক আচরণ। ১৫ এপ্রিল ২০২৫, পর্যবেক্ষণের এক সপ্তাহ পর, ডিমের খোসা পাওয়া যায়—এতে সফলভাবে ছানা ফোটার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি থেকে সংরক্ষণাগারের বিভিন্ন স্থানে মিশরীয় সেবদ পাখির উপস্থিতি নিয়মিতভাবে রেকর্ড করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, নির্দিষ্ট মৌসুমে স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে এরা সফলভাবে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে এবং এলাকাটি এদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।

গবেষণাপত্রটি সৌদি আরবে মিশরীয় সেবদ পাখির উপস্থিতির তথ্যকে সম্ভাব্য বাসা বাঁধা থেকে নিশ্চিত বংশবৃদ্ধির পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এর ফলে আরব উপদ্বীপে এদের বিস্তার ও আচরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য যুক্ত হয়েছে।

এই সাফল্য কিং আবদুলআজিজ রয়্যাল সংরক্ষণাগারের পরিবেশগত গুরুত্ব ও বৈচিত্র্যপূর্ণ বাসস্থান সংরক্ষণের ভূমিকা তুলে ধরে। গবেষণার ফলাফল দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও বিশেষ করে রাতের বেলা নজরদারি বাড়ানোর গুরুত্বও দেখিয়েছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মন্তব্য (0)