সৌদি আরবে নতুন শিক্ষা আইন: বাধ্যতামূলক শিক্ষা, স্পষ্ট অধিকার ও শাস্তির বিধান
সৌদি আরবে নতুন শিক্ষা আইন জারি হয়েছে, যেখানে স্কুল, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য স্পষ্ট অধিকার, বাধ্যতামূলক শিক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
মূল বিষয়
AIসৌদি আরবের সরকারি গেজেট ‘উম আল-কুরা’তে নতুন সাধারণ শিক্ষা আইন প্রকাশিত হয়েছে, যা দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামো নির্ধারণ করেছে। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সাধারণ শিক্ষা বিষয়ক কাউন্সিলের দায়িত্ব, সরকারি, বেসরকারি ও ভার্চুয়াল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অধিকার ও দায়িত্ব, তদারকি, আইন লঙ্ঘন ও শাস্তির ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই আইন ৯টি অধ্যায় ও ৬৮টি ধারায় বিভক্ত এবং গেজেটে প্রকাশের ১৮০ দিন পর কার্যকর হবে। এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক সব বিধান বাতিল হবে।
শিশুদের শিক্ষার বিস্তৃত সংজ্ঞা
নতুন আইনে সাধারণ শিক্ষার আওতা বাড়িয়ে এতে শিশু শ্রেণি, কিন্ডারগার্টেন এবং প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শৈশব পর্যায়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার ও পরিচর্যার ধাপ হিসেবে।
আইনে ভার্চুয়াল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও সাধারণ শিক্ষার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে সরকারি ও বেসরকারি অনুমোদিত ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মও পড়ে।
এছাড়া, আইনে বিশেষায়িত কেন্দ্রের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সেবা দেয়, পাশাপাশি বেসরকারি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এতে অন্তর্ভুক্ত।
সরকারি স্কুলে সবার জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা
আইনে বলা হয়েছে, সাধারণ শিক্ষা সবার অধিকার এবং সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এটি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।
বাধ্যতামূলক শিক্ষার বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ থেকে ১৫ বছর। এই সময়ে কোনো শিশুকে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা বা পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য করলে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এটি শিশুর শিক্ষার অধিকার রক্ষার একটি সরাসরি আইনি কাঠামো, যাতে পরিবারের সিদ্ধান্ত বা পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে স্কুলে ভর্তি বা অধ্যয়ন বন্ধ না হয়।
মূল ভাষা আরবি, বিদেশি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক
আইনে বলা হয়েছে, সাধারণ শিক্ষার মূল ভাষা হবে আরবি। তবে, সাধারণ শিক্ষা বিষয়ক কাউন্সিল নির্ধারিত শর্তে অতিরিক্ত ভাষায়ও শিক্ষা দেওয়া যেতে পারে।
একই সঙ্গে, অন্তত একটি বিদেশি ভাষা শেখা ও তার মৌলিক দক্ষতা অর্জন সাধারণ শিক্ষার লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরবি ভাষায় দক্ষতা, জাতীয় পরিচয়ে গর্ব, সৌদি আরবের ইতিহাস, ভূগোল ও জাতীয় প্রতীকের জ্ঞান শিক্ষার মূল ভিত্তি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
ধর্মীয়, জাতীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা
আইনে শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ইসলামী আকিদা, কোরআন ও সুন্নাহ থেকে নেওয়া মূল্যবোধ এবং ইসলামী ধর্মে গর্ববোধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, শাসকদের প্রতি আনুগত্য, দেশপ্রেম, আইন মেনে চলা এবং পরিবারকে সমাজের মূল একক হিসেবে প্রতিষ্ঠার বিষয়ও লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
আইনে সহনশীলতা, শান্তি, সহাবস্থান, মানবাধিকার সম্মান এবং শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও বিভ্রান্তিমূলক প্রবণতা থেকে সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
গুজব প্রতিরোধ ও গণমাধ্যম সচেতনতা
আইনে শিক্ষার্থীদের গণমাধ্যমের বিভিন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কে সচেতনভাবে আচরণ, সৃজনশীল ও সমালোচনামূলক চিন্তা, যৌক্তিক বিশ্লেষণ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা, যোগাযোগ, উপস্থাপনা ও ইতিবাচক মানবিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাকে আজীবন শেখার দক্ষতা, কাজের প্রতি ভালোবাসা, শৃঙ্খলা, উৎপাদনশীলতা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা, খেলাধুলা, স্বেচ্ছাসেবী কাজ ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
শৈশবের পর ছাত্রীদের স্কুল আলাদা
আইনে বলা হয়েছে, শৈশব পর্যায়ের পর ছাত্রীদের স্কুল ছেলেদের স্কুল থেকে আলাদা হবে।
তবে, কিছু বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে, যা সাধারণ শিক্ষা বিষয়ক কাউন্সিলের নির্ধারিত শর্তে এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদনে কার্যকর হবে।
শিক্ষা বিষয়ক কাউন্সিল গঠন
আইনে শিক্ষা মন্ত্রীর নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষা বিষয়ক কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়েছে। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, অর্থনীতি ও পরিকল্পনা, মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন, অর্থ, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিনিয়োগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এবং শিক্ষা মূল্যায়ন ও প্রশিক্ষণ কর্তৃপক্ষের প্রধান সদস্য থাকবেন।
এছাড়া, শিক্ষা খাতে অভিজ্ঞ চারজন বিশেষজ্ঞ, যার মধ্যে বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের প্রতিনিধি থাকবেন, যাদের নিয়োগ মন্ত্রিসভার প্রধানের আদেশে তিন বছরের জন্য হবে এবং একবার পুনর্নিয়োগ করা যাবে।
কাউন্সিলের বিস্তৃত ক্ষমতা
কাউন্সিল সাধারণ শিক্ষার পরিকল্পনা, নীতি ও কৌশল অনুমোদন, ভর্তি বয়স নির্ধারণ, বাধ্যতামূলক শিক্ষার বছর সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষমতা রাখবে।
এছাড়া, শিক্ষক নিয়োগের শর্ত, বাইরের বিষয়ে পাঠদানের জন্য তাদের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সুবিধা নির্ধারণ, বেসরকারি ও ভার্চুয়াল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশেষায়িত কেন্দ্র, শিক্ষাগত পরামর্শ, প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিষয়, শিশু শ্রেণি ও কিন্ডারগার্টেনের নীতিমালা অনুমোদন করবে।
কাউন্সিল বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি মন্ত্রিসভায় পাঠানো, বেসরকারি স্কুলে অনুদান গ্রহণের শর্ত নির্ধারণ এবং বেসরকারি শিক্ষাখাতে মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বা অন্যান্য সহায়তার মানদণ্ড নির্ধারণ করবে।
কাউন্সিল প্রতি ৯০ দিনে অন্তত একবার বৈঠক করবে, অনলাইনে সভা ও ভোটের সুযোগ থাকবে এবং সদস্যদের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে।
প্রোগ্রামিং, বিজ্ঞান ও শিল্পকলায় বিশেষায়িত স্কুল
আইনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে কোরআন, গণিত, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রোগ্রামিং, শিল্পকলা ও মানবিক বিষয়ে বিশেষায়িত সরকারি স্কুল, শ্রেণি বা পাঠক্রম চালুর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, একত্রিতকরণ, বিভাজন বা বন্ধ করারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দেশের ভেতরে ও বাইরে স্কুল পরিবর্তনের নিয়ম, স্কুল ইউনিফর্ম, তদারকি, মূল্যায়ন, নিরাপত্তা ও জরুরি পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্বও মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত হয়েছে।
স্কুল ফান্ড ও শিক্ষা সম্পদের বিনিয়োগ
আইনে সরকারি স্কুল ও শিক্ষা বিভাগে স্কুল ফান্ড গঠনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার কার্যক্রম শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে শিক্ষা সম্পদ ও সম্পত্তি বিনিয়োগ ও উন্নয়নের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে, যাতে খাতের উন্নয়ন হয়।
এছাড়া, মন্ত্রণালয় চাইলে কিছু ক্ষমতা শিক্ষা বিভাগে অর্পণ করতে পারবে এবং প্রয়োজনে শিক্ষা বিভাগ ও অফিস গঠন, একত্রিতকরণ বা বাতিল করতে পারবে।
বিদেশে সৌদি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা
আইনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ে, বিদেশে অবস্থানরত সৌদি শিক্ষার্থী, প্রবাসী কর্মকর্তা ও শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্য সাধারণ শিক্ষার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবী কাজের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছে।
শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে সংযুক্ত পাঠক্রম
আইনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সাধারণ শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে পেশাভিত্তিক বা বিশেষায়িত পাঠক্রম চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে মিল থাকে।
শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষা ও অন্যান্য কারিগরি, পেশাগত বিষয়ে স্থানান্তরের নিয়মও মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করবে।
এতে আরও বিশেষায়িত ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পাঠক্রম চালুর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
শৈশব ও আচরণগত সমস্যা শনাক্তকরণ
আইনে মন্ত্রণালয়কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ে শিশুদের বিকাশ ও আচরণগত সমস্যার আগাম শনাক্তকরণ এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য, সামাজিক ও শিক্ষাগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভুক্তি, তাদের জন্য সহায়ক ও অভিযোজিত শিক্ষা উপকরণ ও প্রযুক্তি সরবরাহের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
যেসব ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তি সম্ভব নয়, সেখানে বিশেষায়িত কেন্দ্র ও ডিজিটাল বা দূরশিক্ষা প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের যত্ন ও দ্রুত উত্তরণ
আইনে মেধাবী শিক্ষার্থীদের শনাক্ত, পরিচর্যা ও বিকাশের জন্য বিশেষ শ্রেণি, স্কুল ও শিক্ষা কেন্দ্র গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মেধাবী নির্ধারণের স্পষ্ট মানদণ্ড, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্রের সঙ্গে অংশীদারিত্বের কথাও বলা হয়েছে।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের দ্রুত এক স্তর থেকে অন্য স্তরে উত্তরণের সুযোগও রাখা হয়েছে, যাতে তাদের অগ্রগতি ও নতুন স্তরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া নিশ্চিত হয়।
মূলত উপস্থিতিমূলক শিক্ষা
আইনে বলা হয়েছে, সাধারণ শিক্ষার সব স্তরে মূলত উপস্থিতিমূলক শিক্ষা হবে। তবে, নির্ধারিত শর্তে ই-লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া, ই-লার্নিং, উন্মুক্ত শিক্ষা, কমিউনিটি সেন্টার ও স্বশিক্ষার মাধ্যমে আজীবন শিক্ষা ও অব্যাহত শিক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুসরণকারী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করবে।
সব স্কুলে শিক্ষা মূল্যায়ন ও প্রশিক্ষণ কর্তৃপক্ষ পরিচালিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা মূল্যায়ন ও প্রশিক্ষণ কর্তৃপক্ষ বা অনুমোদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে স্কুল স্বীকৃতি নিতে হবে।
বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগে সুযোগ
আইনে সাধারণ শিক্ষায় বেসরকারি, অলাভজনক ও বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বিভিন্ন ধরনের পরিচালনা মডেল ও শিক্ষা বিকল্প চালুর জন্য বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হয়েছে, তবে জাতীয় পরিচয় বিষয়ক পাঠ্য বাধ্যতামূলক।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আর্থিক, উপকরণ, উন্নয়ন বা মানবসম্পদ সহায়তা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে এবং কিছু সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বেসরকারি বা অলাভজনক খাতে দেওয়া যাবে।
এছাড়া, কিছু সরকারি শিক্ষা জমি বা ভবন বেসরকারি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যবস্থাপনার জন্য হস্তান্তর করা যাবে।
