গাজায় জাতিসংঘ: বোমাবর্ষণ চলায় বাড়ছে বাস্তুচ্যুতি
গাজা উপত্যকায় লাগাতার বোমাবর্ষণের ফলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ, এবং বেসামরিকদের সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
মূল বিষয়
AIজাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক দপ্তর (ওচা) জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় লাগাতার বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এসব হামলায় শিশুদেরসহ বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে এবং আরও বেশি পরিবার ঘরছাড়া হচ্ছে।
জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি চাহিদা মেটাতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি যারা ঘরছাড়া হয়েছেন, তাদের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানো হয়েছে।
সহায়তার মধ্যে রয়েছে আশ্রয়সামগ্রী, কম্বল, পানির পাত্র, পোশাক ও খাদ্য সহায়তা—যার মাধ্যমে চলমান সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিকদের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবের চেষ্টা চলছে।
ধ্বংসাবশেষ সরানো ও সেবার উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) জানিয়েছে, প্রায় ৬,০০০ টন ধ্বংসাবশেষ পুনর্ব্যবহার ও মাটির স্থিতিশীলতায় ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে মানুষের চলাচল সহজ হয় এবং মানবিক সেবায় পৌঁছানো সহজ হয়। তবে এই পরিমাণ অক্টোবর ২০২৩ থেকে জমে থাকা ৬ কোটি টনের বেশি ধ্বংসাবশেষের তুলনায় খুবই সামান্য।
ইউএনডিপি জানিয়েছে, নিরাপত্তাহীনতা, প্রবেশাধিকার সীমাবদ্ধতা এবং ভারী যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন অয়েল প্রবেশে বাধা—এসব কারণে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ কার্যকরভাবে এগোচ্ছে না।
এ প্রেক্ষাপটে, জাতিসংঘের দপ্তর বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাদের লক্ষ্যবস্তু না করার আহ্বান জানিয়েছে।
