মূল বিষয়বস্তুতে যান
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক সাফল্য: ক্ষত ব্যান্ডেজ মান নির্ধারণী কমিটির নেতৃত্বে সৌদি আরব

ক্ষত ব্যান্ডেজ ও কমপ্রেসের আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণী কমিটির নেতৃত্ব পেল সৌদি আরব, যা এ অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের মতো অর্জন।

আজেল বাংলা1 ঘণ্টা আগে · 1 মিনিট পড়া
সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণী কমিটির নেতৃত্ব

মূল বিষয়

AI

ক্ষত ব্যান্ডেজ ও কমপ্রেসের আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণী কমিটির (ISO/TC 357) নেতৃত্ব পেয়েছে সৌদি আরব। আন্তর্জাতিক মান সংস্থা (ISO)-এর অধীনে এই কমিটির নেতৃত্ব পাওয়া এ অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

এই সাফল্য এসেছে সৌদি খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ এবং সৌদি মান, মাপ ও গুণগত মান কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে। খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ এই কমিটি গঠনের জন্য কারিগরি প্রস্তাব দেয়, যা ছিল এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণের চাহিদার জবাব। অন্যদিকে, সৌদি মান, মাপ ও গুণগত মান কর্তৃপক্ষ ISO ও সদস্য দেশগুলোর জাতীয় মান সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করেছে।

এদিকে, সৌদি আরবের প্রস্তাবিত কমিটি ISO-এর সকল কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ছিল সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটিগুলোর মূল্যায়ন, কমিটি গঠনের যৌক্তিকতা, কাজের পরিধি ও লক্ষ্য উপস্থাপন এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গে সমন্বয় নিয়ে আলোচনা।

সৌদি প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক সমর্থন

ISO-এর ২৭টি সদস্য দেশ সৌদি আরবের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে। ১৩টি দেশ কমিটিতে অংশগ্রহণকারী সদস্য হতে চেয়েছে এবং ২১টি দেশ পর্যবেক্ষক সদস্য হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যাদের মধ্যে রয়েছে মান নির্ধারণে বিশ্বসেরা অনেক দেশ।

এখন থেকে সৌদি আরব, বিশেষ করে খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ, এই আন্তর্জাতিক কমিটির নেতৃত্ব দেবে। কমিটি ক্ষত ব্যান্ডেজ ও কমপ্রেসের জন্য পরিভাষা, সংজ্ঞা, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সংক্রান্ত মান এবং পরীক্ষার পদ্ধতি নির্ধারণ করবে, যা বিশ্বব্যাপী গুণগত মান ও নিরাপত্তা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সৌদি আরবের অবস্থান আরও শক্তিশালী

এই অর্জন সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক মান ও গুণগত মান ব্যবস্থায় অগ্রগামী অবস্থানকে তুলে ধরে এবং জাতীয় দক্ষতার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে, এটি আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণে সৌদি আরবের অবদানকে আরও জোরদার করবে, যা সৌদি ভিশন 2030-এর লক্ষ্য পূরণে এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের নেতৃত্ব ও উপস্থিতি বাড়াতে সহায়ক হবে।

মন্তব্য (0)