মূল বিষয়বস্তুতে যান
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
সৌদি আরব

জেদ্দায় ২০২৬ হজ সম্মেলনে ১৫টির বেশি অঞ্চল ও প্রধান কর্মসূচি

২০২৬ সালের ৮ থেকে ১১ নভেম্বর জেদ্দায় ষষ্ঠ হজ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ১৫টির বেশি অঞ্চল ও প্রধান কর্মসূচি থাকবে এবং ১৫০ দেশের ৫২০টির বেশি সংস্থা অংশ নেবে।

আজেল বাংলা1 ঘণ্টা আগে · 2 মিনিট পড়া
জেদ্দায় হজ সম্মেলনের প্রদর্শনী এলাকা

মূল বিষয়

AI

‘মক্কা থেকে বিশ্বে’ স্লোগানে ২০২৬ সালের ৮ থেকে ১১ নভেম্বর জেদ্দায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ষষ্ঠ হজ সম্মেলন। এতে ১৫টির বেশি অঞ্চল ও প্রধান কর্মসূচি থাকবে, যা হজ অফিস, সেবা প্রদানকারী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ১৪৪৮ হিজরির হজ মৌসুমের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা আগেভাগে সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অতিথি সেবা কর্মসূচির সহযোগিতায় এ সম্মেলন আয়োজন করা হচ্ছে। এতে সৌদি নেতৃত্বের অতিথি সেবায় অঙ্গীকার এবং হজ ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে তাদের প্রচেষ্টার প্রতিফলন ঘটবে।

সম্মেলনে তিনটি প্রধান ধারা থাকবে। প্রথমটি অবকাঠামো ও পরিচালন সেবা নিয়ে, যেখানে পরিবহন, লজিস্টিক, অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা, আবাসন, আতিথেয়তা ও খাদ্য সরবরাহ নিয়ে আলোচনা হবে। দ্বিতীয় ধারা ‘ক্ষমতায়ন ও সমন্বয়’—এ নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, গণমাধ্যম, যোগাযোগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। তৃতীয় ধারা ‘উন্নয়ন ও স্থায়িত্ব’—এ অলাভজনক খাত, উদ্যোক্তা, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও হজ অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধকরণ নিয়ে আলোচনা হবে।

‘হজ কাউন্সিল’ সম্মেলনে নির্বাহী, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের একত্রিত করবে। ষষ্ঠ সম্মেলনে ২,৪০০-র বেশি অংশগ্রহণকারী, ৩২টি অধিবেশন ও ৪২ জন বক্তা থাকবেন। থাকবে বিশেষায়িত কর্মশালা, যেখানে জ্ঞান বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন ও বাস্তবসম্মত সমাধান তুলে ধরা হবে। এবারই প্রথমবারের মতো ‘সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ ফোরাম’ আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে সচেতনতা বাড়ানো, কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও অতিথিদের জন্য কনটেন্ট উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হবে।

‘উদ্ভাবন অঞ্চল’ ও ‘হ্যাকাথন’–এ নতুন উদ্যোগ ও সমাধান উপস্থাপন, প্রোগ্রামার, ডেভেলপার ও উদ্ভাবকদের জন্য চ্যালেঞ্জ নির্ধারণ এবং ‘হজ উদ্ভাবনের ভবিষ্যৎ’ ক্যাম্প ও ‘প্রযুক্তি ওয়াহা’তে ডিজিটাল ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হবে।

‘বিজনেস সেন্টার’-এ অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে বৈঠক, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সুযোগ থাকবে। একইসঙ্গে হজ অফিস প্রধানদের বৈঠকে আগামী মৌসুমের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হবে। আগের সম্মেলনগুলোতে ১,৮৫০টির বেশি সেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সম্মেলনের অতিথি ও দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন ‘ওয়াহা’ থাকবে—স্বাস্থ্য ওয়াহায় সরকারি সংস্থা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্য খাতের কোম্পানি, প্রযুক্তি ওয়াহায় ডিজিটাল সমাধান, বিমান ওয়াহায় এভিয়েশন সংস্থা ও সেবা প্রদানকারী এবং গণমাধ্যম ওয়াহায় মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ সংস্থা তাদের উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরবে।

এছাড়া, সম্মেলনে ‘লাব্বাইতুম’ প্যাভিলিয়ন, অংশীদার প্ল্যাটফর্ম, বিশেষজ্ঞ স্বেচ্ছাসেবক ফোরাম, ‘মেইড ইন সৌদি’ এবং কনফারেন্স লেন্স স্টুডিও থাকবে, যেখানে দায়িত্বশীল ও বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার ও কার্যক্রম নথিভুক্ত করা হবে। সম্মেলন-সংলগ্ন প্রদর্শনী হবে ৬৭,০০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে, যেখানে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক ৫২০টির বেশি সংস্থা এবং ১৫০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

সম্মেলনে সৃজনশীলদের জন্য ‘মুব্দিউন’ পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার থাকবে, যা নতুন ধারণা ও তার বাস্তবায়নকে স্বীকৃতি দেবে। ‘লাব্বাইতুম’ পুরস্কার পাবে সেরা সেবা প্রদানকারী সংস্থা ও হজ মিশন।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সংস্থা, বিশেষজ্ঞ ও আগ্রহীদের সম্মেলন ও প্রদর্শনীতে নিবন্ধন ও অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। বিস্তারিত সম্মেলনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

মন্তব্য (0)