মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর গুরুত্ব
জিসিসি মহাসচিব জাসেম আল-বাদিউই বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে জাতীয় সক্ষমতা বাড়াতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
মূল বিষয়
AIউপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল-বাদিউই বলেছেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে জাতীয় সক্ষমতা বাড়াতে জিসিসিভুক্ত দেশগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, এসব উদ্যোগ আর্থিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
রিয়াদে জিসিসি সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সেরা চর্চা বিষয়ক এক কর্মশালায় বক্তব্যে এসব কথা বলেন আল-বাদিউই।
তিনি বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো আন্তর্জাতিক মান ও সেরা চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের সক্ষমতা, নিয়ন্ত্রক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জিসিসি সচিবালয় সমন্বয়কের ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি।
উপসাগরীয় সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদার
আল-বাদিউই বলেন, জিসিসিভুক্ত দেশগুলো ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এবং মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধী সংস্থা (MENAFATF)-তে প্রতিনিধিত্ব করছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও জাতীয় প্রচেষ্টায় সহায়ক অভিজ্ঞতা বিনিময়ও অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে FATF-এর পঞ্চম পারস্পরিক মূল্যায়ন পর্বের সঙ্গে মিল রেখে, যেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পর্কে গভীর বোঝাপড়া ও কার্যকর ব্যবস্থার প্রমাণ উপস্থাপন জরুরি।
যৌথ প্রচেষ্টা ও সমন্বিত উদ্যোগে সমর্থন
আল-বাদিউই বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি মোকাবিলায় জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সফলতা নির্ভর করছে যৌথ উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত ভূমিকার ওপর। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিকে আরও সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
বক্তব্যের শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মশালার আলোচনাগুলো কার্যকর ফলাফল দেবে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমন্বয় ও সহযোগিতা আরও বাড়াবে।
