মূল বিষয়বস্তুতে যান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
সৌদি আরব

জিজান ও ১১টি জেলা স্বাস্থ্যকর শহর কর্মসূচিতে যুক্ত হচ্ছে

জিজান অঞ্চলে স্বাস্থ্যকর ও উন্নত জীবনের লক্ষ্যে জিজান শহর ও ১১টি জেলা স্বাস্থ্যকর শহর কর্মসূচিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

আজেল বাংলা51 মিনিট আগে · 2 মিনিট পড়া
জিজান অঞ্চলে স্বাস্থ্যকর শহর কর্মসূচির প্রচেষ্টা

মূল বিষয়

AI

স্বাস্থ্যকর ও উন্নত জীবনের লক্ষ্যে জিজান অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলছে। জিজান শহর ও ১১টি জেলা স্বাস্থ্যকর শহর কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মান ও শর্ত পূরণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই কর্মসূচি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন আবদুলআজিজ ও জিজান অঞ্চলের উপ-আমির নাসের বিন মোহাম্মদ বিন জলুইয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। তাঁদের লক্ষ্য—জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, জীবনমান বৃদ্ধি এবং কর্মসূচির শর্ত পূরণের মাধ্যমে ২০৩০ ভিশনের লক্ষ্য অর্জন।

জিজান অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শাখা এসব শহর ও জেলার প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যকর শহর কর্মসূচির সঙ্গে তাদের কার্যক্রম সমন্বয় করছে। প্রয়োজনীয় মান, প্রমাণপত্র ও নথিপত্র প্রস্তুত করতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী মূল্যায়ন ও অনুমোদনের জন্য ফাইল জমা দেওয়া যায়। এ কাজে স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন অংশের অংশগ্রহণ রয়েছে। লক্ষ্য হচ্ছে—কমিটি সক্রিয় করা, কাজের ধারা এক করা, তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রতিটি শহরের মানুষের চাহিদা ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী পরিকল্পনা করা। শুধু অনুমোদনের শর্ত পূরণ নয়, বরং নিরাপদ, টেকসই ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলা, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশগত স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, স্কুল স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোও এই উদ্যোগের অংশ। এতে স্বাস্থ্যকে সকলের যৌথ দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যকর শহর কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে—সমাজকে তাদের চাহিদা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে সক্ষম করা, সমাধান ও উদ্যোগ তৈরিতে অংশগ্রহণ বাড়ানো, বিভিন্ন খাতের মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা। এতে শহর ও জেলার সক্ষমতা বাড়বে, টেকসই স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। জিজান অঞ্চলে যে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় হচ্ছে, তা স্পষ্টভাবে এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। অনুমোদনই চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়, বরং মানুষের কল্যাণ ও সমাজের উন্নয়নই মূল উদ্দেশ্য, যেখানে জীবনমান উন্নয়নকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে ধরা হয়েছে।

নেতৃত্বের সহায়তা, বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শাখার তত্ত্বাবধান ও সমাজের অংশগ্রহণে জিজান আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাদের লক্ষ্যপূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যকে সার্বিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং জীবনমান উন্নয়ন বাস্তবে পরিণত হচ্ছে, যা জিজান অঞ্চলের শহর ও জেলার মানুষ সরাসরি অনুভব করতে পারবেন।

মন্তব্য (0)