নতুন নির্বাহী বিধিমালা দ্রুত অধিকার আদায় ও রায়ের স্থিতিশীলতা বাড়াবে
সৌদি আরবে নতুন নির্বাহী বিধিমালা কার্যকর হচ্ছে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ থেকে, যা রায়ের স্থিতিশীলতা ও অধিকার আদায়ের গতি বাড়াবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী জাই রুসাইনি।
মূল বিষয়
AIসৌদি আরবের বিচারমন্ত্রী ড. ওয়ালিদ বিন মোহাম্মদ আল-সমআনি নির্বাহী বিধিমালার অনুমোদন দিয়েছেন, যা ২৯ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। ৫৪টি ধারার এই বিধিমালায় অধিকার আদায়ের প্রক্রিয়া, সময়সীমা ও নিয়মাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে অধিকার আদায় আরও দক্ষ হয় এবং দেনাদার ও পাওনাদারের অধিকার সংরক্ষিত থাকে।
এ বিষয়ে আইনজীবী জাই রুসাইনি ‘আজেল’-কে বলেন, নতুন নির্বাহী বিধিমালা বিচারিক কার্যক্রমের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি আইনি অবস্থানের স্থিতিশীলতা, নির্বাহী দলিলের নির্ভরযোগ্যতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির গতি বাড়াবে, ফলে অধিকার সুরক্ষা ও পক্ষগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা হবে।
তিনি জানান, নতুন বিধিমালার অন্যতম দিক হলো—পূর্ববর্তী আইনে চূড়ান্ত হওয়া রায় ও সিদ্ধান্তের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। এগুলো নতুন সংশোধনের আওতায় আসবে না। তবে বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর থেকে চলমান নির্বাহী আবেদনগুলো নতুন নিয়মে চলবে, যা আইনি অবস্থান রক্ষা ও রায়ের প্রতি আস্থা বাড়াবে।
রুসাইনি আরও বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে বাণিজ্যিক দলিল নির্বাহী দলিল হিসেবে গ্রহণের জন্য জাতীয় অনুমোদিত ই-প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে জালিয়াতি কমে এবং আর্থিক লেনদেনের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ে। তবে পুরনো কাগজপত্রধারীদের জন্য এক বছরের একটি সংক্রমণকাল নির্ধারণ করা হয়েছে, নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী।
তিনি আরও জানান, বিধিমালায় নির্ধারিত হয়েছে—নির্বাহী বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালতে পাঠানোর ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে সিদ্ধান্ত দিতে হবে। এতে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হবে না, পাওনাদাররা দ্রুত অধিকার পাবেন এবং নির্বাহী ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে।
রুসাইনি তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, এই বিধিমালা বিচারিক পরিবেশ উন্নয়নের প্রতিফলন, যেখানে অধিকার সুরক্ষা, আধুনিকীকরণ ও ডিজিটাল সমাধানের সমন্বয় ঘটেছে, ফলে নির্বাহী কার্যক্রম ও আর্থিক লেনদেন আরও নির্ভরযোগ্য হবে।
