সৌদি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় মিসরের পূর্ণ সমর্থন: আবদুল আতি
মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল আতি বলেছেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে মিসর দৃঢ়ভাবে পাশে থাকবে।
মূল বিষয়
AIমিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং প্রবাসী মিসরীয়দের দায়িত্বপ্রাপ্ত ড. বদর আবদুল আতি ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল-বুদাইউই বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শরৎকালীন বৈঠকের ফাঁকে সাক্ষাৎ করেছেন।
মিসরীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাদার জাকি এক সরকারি বিবৃতিতে জানান, মন্ত্রী আবদুল আতি মিসর ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা মিসরের জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং মিসর এসব দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়, যা দুই পক্ষের ঐতিহাসিক বন্ধনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।
মুখপাত্র আরও জানান, বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও চলমান উত্তেজনা প্রশমনে নেওয়া উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। দুই পক্ষই সৌদি আরবের ওপর সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানান এবং মিসর ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর পক্ষ থেকে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা সৌদি আরবের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতায় যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে একসঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেন।
তারা আরও জোর দেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় হুমকি মোকাবিলায় আরব দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর। একই সঙ্গে, প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষার গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক সংকট সমাধানে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন।
মুখপাত্র আরও জানান, দুই পক্ষ মিসর-উপসাগরীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য ফোরামের দ্বিতীয় অধিবেশন আল-আলেমিন শহরে আয়োজনের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। এতে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আঞ্চলিক পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ ধরনের উদ্যোগ বাণিজ্য, সরবরাহ চেইন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই পক্ষ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক এবং ২০২৪–২০২৮ সালের যৌথ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী রাজনৈতিক পরামর্শ ও সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা ও অবস্থান সমন্বয় আরও দৃঢ় হবে।
