মূল বিষয়বস্তুতে যান
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
অর্থনীতি

জেদ্দা বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল ৪-এ ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে ফ্লাইট

জেদ্দা কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪-এ আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানি।

আজেল বাংলা1 ঘণ্টা আগে · 2 মিনিট পড়া
জেদ্দা বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪-এর নতুন ভবন

মূল বিষয়

AI

জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানি ঘোষণা করেছে, কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৪-এ আগামীকাল রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। এটি কোম্পানির বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন ও যাত্রী চলাচলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে নেওয়া পরিকল্পনার অংশ।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, আগামীকাল রোববার তিনটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স— উইজ এয়ার, এজেট ও সালামএয়ার— তাদের ফ্লাইট টার্মিনাল ৪-এ স্থানান্তর করবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এয়ারলাইন্সও নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই টার্মিনালে স্থানান্তরিত হবে।

জেদ্দা এয়ারপোর্টস আরও জানিয়েছে, পুনরায় চালুর এই পরিকল্পনার আওতায় বর্তমানে উত্তর টার্মিনালে থাকা সব বিদেশি এয়ারলাইন্স এবং টার্মিনাল ১ ও হজ-ওমরাহ টার্মিনাল কমপ্লেক্সের কিছু বিদেশি এয়ারলাইন্সও প্রয়োজনে টার্মিনাল ৪-এ স্থানান্তরিত হবে। এতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশে ফ্লাইট চলাচল পুনর্বিন্যাস, ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাত্রীদের জন্য যাত্রা আরও সহজ হবে। টার্মিনাল ৪ ও এর সংশ্লিষ্ট সুবিধা, প্রযুক্তি ও সেবাসমূহ সম্পূর্ণ প্রস্তুত হওয়ার পর এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

জেদ্দা এয়ারপোর্টস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহজুড়ে ধাপে ধাপে ফ্লাইট স্থানান্তর চলবে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ফ্লাই জিন্নাহ হজ-ওমরাহ টার্মিনাল (B3) থেকে এবং নেসমা এয়ারলাইন্স উত্তর টার্মিনাল থেকে টার্মিনাল ৪-এ যাবে। মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর আকাসা এয়ারও হজ-ওমরাহ টার্মিনাল (B3) থেকে টার্মিনাল ৪-এ স্থানান্তরিত হবে।

বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর পরিকল্পনা অনুযায়ী সিরিয়ান এয়ার ও পেগাসাস এয়ারলাইন্স উত্তর টার্মিনাল থেকে টার্মিনাল ৪-এ যাবে। শনিবার ৩ অক্টোবর আজারবাইজান এয়ারলাইন্স ও তিউনিসএয়ারও উত্তর টার্মিনাল থেকে স্থানান্তরিত হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এয়ারলাইন্সও নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থানান্তরিত হবে।

টার্মিনাল ৪-এর মোট আয়তন ৯৭ হাজার বর্গমিটার, যেখানে বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ যাত্রী পরিবহন করা যাবে। এখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও সুবিধা রয়েছে, যার মধ্যে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য পৃথক চেক-ইন সুবিধা রয়েছে। এতে বিমানবন্দরের কার্যকারিতা ও ধারণক্ষমতা বাড়বে। ২০২৫ সালে বিমানবন্দরটি ৫৩.৪ মিলিয়ন যাত্রী পরিবহন করে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে।

টার্মিনাল ৪ চালু করা হচ্ছে জেদ্দা এয়ারপোর্টস কোম্পানির অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে। এতে বিমানবন্দরটি যাত্রী চলাচলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলা করতে পারবে এবং জাতীয় পরিবহন ও লজিস্টিক কৌশল এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ৯ কোটির বেশি যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেদ্দা এয়ারপোর্টস যাত্রীদের অনুরোধ করেছে, বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে কোন টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট ছাড়বে তা সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম, বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে নিতে।

মন্তব্য (0)