বাহা অঞ্চলে ৯৫১ টন আঙুর উৎপাদন কৃষি খাতকে চাঙা করছে
বাহা অঞ্চলে এ মৌসুমে ৯৫১ টন আঙুর উৎপাদিত হয়েছে। সরকারি সহায়তায় সরবরাহ চেইন ও প্রক্রিয়াজাত শিল্পের উন্নয়ন হচ্ছে।
মূল বিষয়
AIবাহা অঞ্চলের কৃষিজমিতে এ বছর আঙুর সংগ্রহ মৌসুমে ৯৫১ টন আঙুর উৎপাদিত হয়েছে, যা প্রায় ৩৫.৫৯ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, আঙুর এই অঞ্চলের কৃষি মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
বাহা অঞ্চলে আঙুর চাষ একটি ঐতিহ্যবাহী কৃষি কার্যক্রম। এখানকার বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতি, উর্বর মাটি ও মনোরম আবহাওয়া এবং কৃষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আঙুর চাষে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
বাহা অঞ্চলের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক প্রকৌশলী ফাহাদ মিফতাহ আল-জাহরানি জানান, বাহা অঞ্চলে আঙুর উৎপাদন এ ফলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং স্থানীয় কৃষিপণ্যের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। কৃষক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আগ্রহও উল্লেখ করেন তিনি।
আল-জাহরানি আরও জানান, মন্ত্রণালয়ের শাখা কৃষকদের সহায়তা ও উৎপাদন দক্ষতা বাড়াতে কৃষি পরামর্শ জোরদার করছে, আধুনিক সেচ ও কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে এবং পরিবেশ উপযোগী জাত চাষে সহায়তা করছে। এতে ফলের গুণগত মান উন্নত হচ্ছে এবং কৃষি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হচ্ছে।
বালজারশিতে আঙুর শহর প্রকল্প
আল-জাহরানি বালজারশি প্রদেশে 'আঙুর শহর' প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন, যা ৭৪১,৬৯৯ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং সেখানে অন্তত ৭০ হাজার আঙুর গাছ রয়েছে। এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো ফসল সংগ্রহের পরবর্তী সেবা ও বিপণনের জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
তিনি জানান, প্রকল্পটি আঙুরের অর্থনৈতিক মূল্য বাড়াতে বাছাই, প্যাকেজিং, সংরক্ষণ, বিপণন এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াজাত শিল্পের উন্নয়নে কাজ করছে। এতে কৃষকদের জন্য নতুন বাজারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং স্থানীয় পণ্যের মূল্য সংযোজন বাড়ছে।
আঙুর সৌদি আরবের একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসল। এর নানা জাত এবং জুস, জ্যাম, কিশমিশসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত শিল্পে ব্যবহারের কারণে জাতীয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ ও অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
