ওপেক প্লাসের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনা
ওপেক প্লাস জোটের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো নভেম্বর মাসের জন্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, রোববারের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হতে পারে।
মূল বিষয়
AIসূত্র জানিয়েছে, ওপেক প্লাস জোটের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো নভেম্বর মাসের জন্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা রোববার নির্ধারিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওপেক প্লাসের সাতটি প্রধান সদস্য— সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান ও ওমান— অনলাইনে এই বৈঠকে অংশ নেবে। এ সময় উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যা কয়েক মাস ধরে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে বাধাগ্রস্ত ছিল।
চলতি বছরের বেশিরভাগ সময় ওপেক প্লাস উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা বাড়ালেও অক্টোবরের জন্য তা অপরিবর্তিত রেখেছিল। সেপ্টেম্বরে, ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো চুক্তি হওয়া দৈনিক ১৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত ধাপে ধাপে প্রত্যাহার শেষ করে জোটটি।
রয়টার্স জুলাইয়ে জানিয়েছিল, ওপেক প্লাস চতুর্থ প্রান্তিকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় কোনো পরিবর্তন আনবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন তাদের মনোযোগ ২০২৭ সালের জন্য উৎপাদন কোটা নিয়ে আলোচনায়।
ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, ওপেক প্লাসের সাতটি প্রধান দেশ আগস্টে দৈনিক ২৫.০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করেছে, যা জুলাইয়ের তুলনায় ৬ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বেশি। তবে, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় উৎপাদন এখনও দৈনিক প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল কম।
রয়টার্স জানিয়েছে, ওপেক প্লাসের কাছে এখনও দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল উৎপাদন কমানোর আরেকটি ধাপ রয়েছে, যা অধিকাংশ সদস্যের জন্য ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
সূত্রগুলো বলেছে, ২০২৭ সালের জন্য উৎপাদন কোটা নির্ধারণের আগে সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পর্যালোচনা শেষ করতে হবে, যা ভবিষ্যতের কোটা ও ধাপে ধাপে এই উৎপাদন কমানোর পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে।
