সৌদি প্রযুক্তি কোম্পানির আয় ১২.৯৯ বিলিয়ন রিয়াল, বিশ্লেষকের মতে অর্থনীতিতে কাঠামোগত পরিবর্তন
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সৌদি আরবের প্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর আয় ১২.৯৯ বিলিয়ন রিয়াল ছাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
মূল বিষয়
AIকিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুর রহমান আল-মুতরেফ বলেছেন, সৌদি আরবের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যাপ্লিকেশন ও প্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর ফলাফল তার দৃষ্টিতে 'অর্থনীতিতে কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রতিফলন, শুধু কোম্পানিগুলোর সাময়িক প্রবৃদ্ধি নয়'।
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এই খাতের কোম্পানিগুলোর আয় দাঁড়িয়েছে ১২.৯৯ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪.৭% বেশি। একই সময়ে তাদের নিট মুনাফা ৪.৭৩% বেড়ে হয়েছে ২.১৪ বিলিয়ন রিয়াল।
X প্ল্যাটফর্মে টুইটটি দেখুন
এই খাতে মোট ৭টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৬টি কোম্পানির আর্থিক বছর শেষ হয় ডিসেম্বর মাসে, আর 'আজম সৌদি'র আর্থিক বছর শেষ হয় ৩০ জুন। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে খাতের ৫টি কোম্পানি নিট মুনাফা অর্জন করেছে—এগুলো হলো 'ইলম', 'সলোশন্স', 'টোবি', 'মুয়াম্মার' ও 'ডিবিএস'। অন্যদিকে, 'বাহর আল-আরব' বছরের প্রথমার্ধ শেষে ত্রৈমাসিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
'সলোশন্স' আয়ে শীর্ষে, 'ইলম' ছাড়িয়েছে এক বিলিয়ন
খাতের মধ্যে আয়ের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে 'সলোশন্স', ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে তাদের আয় হয়েছে ৬.২৪ বিলিয়ন রিয়াল, যা বার্ষিক ৯% প্রবৃদ্ধি। একই সময়ে তাদের নিট মুনাফা হয়েছে ৮২৪ মিলিয়ন রিয়াল, যা গত বছরের তুলনায় ২.১% বেশি।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে 'ইলম', যাদের আয় ৪.৯৯ বিলিয়ন রিয়াল, বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ২১.১%। তাদের নিট মুনাফা ১.১৭ বিলিয়ন রিয়াল ছাড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৭% বেশি।
'মুয়াম্মার' আয়ে দ্রুততম প্রবৃদ্ধি
আয়ের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে 'মুয়াম্মার', ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে তাদের আয় বেড়ে হয়েছে ৯১০ মিলিয়ন রিয়াল, যা আগের বছরের একই সময়ের ৭০৯ মিলিয়ন রিয়াল থেকে ২৮.২% বেশি।
তবে, 'মুয়াম্মার'-এর মুনাফা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫.৬ মিলিয়ন রিয়াল, যা আগের বছরের ৬৬.১৩ মিলিয়ন রিয়াল থেকে ১৫.৮৫% কম।
