মূল বিষয়বস্তুতে যান
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
অর্থনীতি

অক্টোবরে ওপেকের উৎপাদন পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিল সৌদি আরব

অক্টোবরে ওপেকের তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিয়েছে সৌদি আরব। উৎপাদন ও রপ্তানি যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।

আজেল বাংলা1 ঘণ্টা আগে · 2 মিনিট পড়া
সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ট্যাংকার

মূল বিষয়

AI

গত অক্টোবরে ওপেকের তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারে নেতৃত্ব দিয়েছে সৌদি আরব, যা যুদ্ধ-পূর্ব স্তরের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে ব্লুমবার্গের এক জরিপে উঠে এসেছে।

জরিপ অনুযায়ী, অক্টোবরে ওপেকের উৎপাদন দৈনিক ৯ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ব্যারেলে, যা ফেব্রুয়ারিতে সদস্য দেশগুলোর সরবরাহের ৮৮ শতাংশ।

এই বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে সৌদি আরব থেকে। দেশটি উৎপাদন দৈনিক ৯ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল বাড়িয়ে ৯২ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করেছে, কারণ তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার চলাচল এবং লোহিত সাগর উপকূলের বন্দর থেকে রপ্তানি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

গত মাসে সৌদি আরবের গড় তেল রপ্তানি ছিল দৈনিক ৭০ লাখ ব্যারেল, যা যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ের কাছাকাছি বলে ব্লুমবার্গের ট্যাংকার ট্র্যাকিং তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি আরবের আরামকো কোম্পানির প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের এ সপ্তাহের শুরুতে আবুধাবিতে এক শিল্প সম্মেলনে বলেন, কোম্পানি চতুর্থ প্রান্তিকে উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।

উৎপাদন বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইরাক, দেশটি দৈনিক ১ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল বাড়িয়ে ৪১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে উন্নীত করেছে। এরপর কুয়েত, যারা ১ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বাড়িয়ে দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল উৎপাদন করেছে। অন্যদিকে নাইজেরিয়া ও ইরান সবচেয়ে বেশি উৎপাদন কমিয়েছে।

ইরানের উৎপাদন দৈনিক ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল কমে ১৯ লাখ ব্যারেলে নেমেছে, যা ব্লুমবার্গের ১৯৮৯ সাল থেকে চলা মাসিক তথ্যের মধ্যে সর্বনিম্ন। মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে ইরানের প্রধান বন্দরগুলোতে আগস্টের শেষ দিক থেকে কোনো ট্যাংকার দেখা যায়নি।

ওপেকের সরবরাহ পুনরুদ্ধার তেলের দাম কিছুটা স্থিতিশীল করতে সহায়তা করেছে। গত মাসের শীর্ষের পর এই সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নেমে এসেছে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার দলের পরাজয়ের পর উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ওপেক ও তাদের মিত্ররা এখন প্রতিটি সদস্য দেশের উৎপাদন সক্ষমতা পর্যালোচনা করছে, যাতে ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ২০২৭ সালের উৎপাদন লক্ষ্য নির্ধারণ করা যায়।

মন্তব্য (0)