সেপ্টেম্বরে তেল উৎপাদন কোটা বাড়াচ্ছে ওপেক প্লাস
ওপেক প্লাস জোট সেপ্টেম্বরে দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
মূল বিষয়
AIওপেক প্লাস জোট সেপ্টেম্বরে দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
বিবৃতিতে ২০২৬ সালের শেষ তিন মাসের জন্য সম্ভাব্য উৎপাদন নীতির বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
ওপেক প্লাসের সাতটি প্রধান সদস্য দেশ চলতি বছরের বেশিরভাগ সময়ে মাসিক উৎপাদন কোটা বাড়াতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় দেশ, রাশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় এই বাড়তি উৎপাদন মূলত কাগজেই সীমাবদ্ধ ছিল। এই সাত দেশ হলো সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান ও ওমান।
ওপেক প্লাসের একজন প্রতিনিধি ও জোটের একটি সূত্র জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের পর বাকি বছরের জন্য উৎপাদন বাড়ানো স্থগিত রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, নতুন উৎপাদন কোটা নিয়ে কঠিন আলোচনার মুখোমুখি হচ্ছে জোটটি।
সেপ্টেম্বরে এই বাড়তি উৎপাদনের ফলে ২০২৩ সালে নির্ধারিত ১৬ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল দৈনিক উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তটি ধাপে ধাপে প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে। তখন জোটে সংযুক্ত আরব আমিরাত ছিল, যা চলতি বছরের মে মাসে ওপেক ছেড়ে বেরিয়ে গেছে।
ওপেক প্লাস বর্তমানে সদস্য দেশগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা পর্যালোচনা করছে, যা ২০২৭ সালের জন্য উৎপাদনের ভিত্তি নির্ধারণ ও কোটা বণ্টনে কাজে লাগানো হবে।
সেপ্টেম্বরের পর উৎপাদন বাড়ানো স্থগিত থাকলে ২০২২ সালে নির্ধারিত দৈনিক প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে, যতক্ষণ না জোট নতুন কোটা নির্ধারণ করে।
জোটের কিছু সদস্য, বিশেষ করে ইরাক, তাদের বাড়তি উৎপাদন সক্ষমতা প্রতিফলিত করতে উচ্চতর পৃথক কোটা দাবি করছে।