তেলের দাম বাড়ছে, ব্রেন্টের ব্যারেল ৯৭.৩৪ ডলার
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কায় তেলের দাম বাড়ছে; ইরানের হুমকিতে সরবরাহ বিঘ্নের শঙ্কা আরও বেড়েছে।
মূল বিষয়
AIমঙ্গলবারও তেলের দাম বাড়তে থাকে, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। ইরান তাদের সম্পদের ওপর নতুন কোনো মার্কিন হামলার জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে, এতে সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার মূল্য ৩৪ সেন্ট বা ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭.৩৪ ডলারে পৌঁছেছে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দাম ১.১৫ ডলার বা ১.২৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২.৬৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, আগের সেশনে ব্রেন্ট তেল ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ দামে পৌঁছায়। হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় ব্যবসায়ীরা ঝুঁকির প্রিমিয়াম হিসেব করছেন, কারণ এটি বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।
ইরান সোমবার সতর্ক করেছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত স্বার্থ ঝুঁকিতে রয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে পাল্টাপাল্টি হামলার পরও কূটনৈতিক সমাধানের কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত নেই।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এএনজেডের বিশ্লেষক ড্যানিয়েল হেইন্স এক নোটে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের সম্ভাবনা বাড়িয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরিকল্পিত সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। এতে ২০২৬ সালের বাকি সময়জুড়ে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল সরবরাহ সীমিত থাকতে পারে।
এদিকে, গোল্ডম্যান স্যাকস তাদের ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের মূল্যপ্রত্যাশা প্রতি ব্যারেলে ৫ ডলার বাড়িয়েছে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্রেন্টের দাম ৮৫ ডলার এবং WTI-এর দাম ৮০ ডলার হবে বলে তারা পূর্বাভাস দিয়েছে। ২০২৭ সালে এই দাম যথাক্রমে ৮০ ও ৭৫ ডলার হবে। মধ্যপ্রাচ্যে আগামী বছরও শিপমেন্ট বিঘ্নিত থাকার আশঙ্কা থেকেই এই পূর্বাভাস।
