মূল বিষয়বস্তুতে যান
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
অর্থনীতি

সৌদি আরবে ২০ লাখের বেশি জমির রেকর্ড, ৫০ লাখে সম্প্রসারণ

সৌদি আরবে ২০ লাখের বেশি জমির রেকর্ড ইস্যু হয়েছে এবং নিবন্ধন কার্যক্রম ৫০ লাখের বেশি সম্পত্তিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

আজেল বাংলা2 ঘণ্টা আগে · 2 মিনিট পড়া
সৌদি আরবে জমি নিবন্ধন কার্যক্রমের দৃশ্য

মূল বিষয়

AI

সৌদি আরবের পৌর ও গ্রামীণ বিষয়ক এবং আবাসন মন্ত্রী ও সাধারণ সম্পত্তি কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভাপতি মাজেদ বিন আব্দুল্লাহ আল হাকিল জানিয়েছেন, দেশজুড়ে ২০ লাখের বেশি জমির রেকর্ড ইস্যু করা হয়েছে। এতে সম্পত্তির মালিকানা নিশ্চিতকরণ এবং লেনদেনের দক্ষতা বাড়াতে সরকারের উদ্যোগ আরও জোরদার হয়েছে।

মন্ত্রী হাকিল জানান, জমির নিবন্ধন কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়ে এখন ৫০ লাখের বেশি সম্পত্তিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত ধাপ ও সময়সূচি অনুযায়ী এই কাজ এগোচ্ছে। তিনি বলেন, এই অর্জন সৌদি আরবের নির্ভরযোগ্য সম্পত্তি খাত গড়ে তোলার এবং ডিজিটাল রূপান্তরের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

মন্ত্রী আরও বলেন, জমির নিবন্ধন ব্যবস্থা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন, যা সম্পত্তির ইতিহাস, বৈধতা, প্রকৃতি এবং ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করবে। এতে স্মার্ট ও টেকসই শহর গড়ে তোলার বৈশ্বিক মান বজায় রাখা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, আগামী দিনে দেশের সব শহর ও অঞ্চলে এই কার্যক্রম বিস্তৃত হবে এবং ডিজিটাল সেবা বাড়ানো হবে। এতে মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ ও সহজ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত হবে, সৌদি আরবের সম্পত্তি খাতের প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং দেশটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় হবে।

এদিকে, সাধারণ সম্পত্তি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী আব্দুল্লাহ আল হাম্মাদ বলেন, এই পর্যায়ে পৌঁছানো সম্পত্তি খাতের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার পরিপক্বতা এবং আইন বাস্তবায়নের সক্ষমতার প্রমাণ, যা অধিকার সংরক্ষণ ও বাজারের দক্ষতা বাড়াবে।

হাম্মাদ জানান, জমির নিবন্ধন কার্যক্রম দেশের সব অঞ্চলে সম্প্রসারিত হবে। এতে সম্পত্তি লেনদেনে আস্থা বাড়বে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে এবং খাতে স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত হবে।

জাতীয় জমি নিবন্ধন সেবাদানকারী কোম্পানি ‘সজিল আকারি’র প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আল সুলাইমান বলেন, স্বল্প সময়ে ২০ লাখ জমি নিবন্ধন একটি বড় অগ্রগতি, যা জাতীয় অর্থনীতির বৈচিত্র্য ও সজিল আকারির লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক।

সুলাইমান জানান, প্রতিটি জমির রেকর্ডে আইনি স্বীকৃতির পাশাপাশি ভৌগোলিক তথ্য ও ইতিহাস সংরক্ষিত থাকবে, যা গ্রাহকের সময় বাঁচাবে এবং লেনদেনে আস্থা বাড়াবে।

উল্লেখ্য, সজিল আকারি আধুনিক শাসন ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের সব শহর ও অঞ্চলে সম্পত্তির তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলছে। এতে বিনিয়োগ বাড়বে এবং সৌদি ভিশন 2030-এর লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।

মন্তব্য (0)