মূল বিষয়বস্তুতে যান
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
অর্থনীতি

অর্থমন্ত্রী: উৎপাদনের বিকল্প ও মজুত বাড়িয়ে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা জরুরি

অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছেন, সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে উৎপাদনের বিকল্প ও মজুত বাড়িয়ে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।

আজেল বাংলা49 মিনিট আগে · 2 মিনিট পড়া
জি-২০ বৈঠকে সৌদি অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান

মূল বিষয়

AI

সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান বলেছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি নানা ধাক্কা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা দেখালেও এখন আরও বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, উৎপাদনের বিকল্প বাড়ানো, পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা এবং পর্যাপ্ত সক্ষমতা সম্পন্ন অবকাঠামো গড়ে তোলা—এসবই অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলায় প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জি-২০ অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নরদের দ্বিতীয় বৈঠকের সমাপনী বক্তব্যে জাদান বলেন, দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে অর্থনীতিগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রবৃদ্ধি সীমিত করার কারণগুলো একেক দেশের জন্য আলাদা এবং সময়ের সঙ্গে বদলায়। তাই প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়াতে প্রতিটি পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলা সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেই অনুযায়ী নীতি ও সংস্কার গ্রহণ করা দরকার।

‘বৈশ্বিক ভারসাম্যহীনতা’ শীর্ষক এক অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো দেশের বৈদেশিক উদ্বৃত্ত বা ঘাটতি তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ও কাঠামোর পার্থক্যকে প্রতিফলিত করতে পারে, যা সব সময় ভারসাম্যহীনতা বোঝায় না। তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শুধু বাণিজ্য প্রবাহ নয়, বরং স্থানীয় আর্থিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা এবং কাঠামোগত কারণগুলোকেও বিবেচনায় নিতে হবে।

‘সার্বভৌম ঋণ’ বিষয়ক আরেক অধিবেশনে জাদান বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে আরও শক্তিশালী ঋণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে, যাতে শুধু দুর্বল দেশগুলোর ঋণ সংকট মোকাবিলা নয়, বরং এমন ঋণ জমা হওয়া রোধ করা যায়, যা টেকসই অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সুফল আনে না।

তিনি আরও বলেন, দেশগুলোর নিজস্ব অর্থায়নের চাহিদা নিরূপণ ও ঋণের স্থায়িত্ব ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি, যাতে তারল্য সংকট গভীরতর ঋণ সংকটে পরিণত না হয়।

একটি বন্ধ সংলাপ অধিবেশনে জাদান, অন্যান্য অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বেসরকারি খাতের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা এই খাতকে উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে দেখেন।

বৈঠকের ফাঁকে জাদান অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অর্থমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আর্থিক বিষয়াবলি এবং অর্থনৈতিক ও আর্থিক খাতে সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্তব্য (0)