জেদ্দায় ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে খলিজি ২৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট
জেদ্দায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আটটি উপসাগরীয় দেশের অংশগ্রহণে খলিজি ২৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।
মূল বিষয়
AIজেদ্দায় ‘খলিজি ২৭’ আরব উপসাগরীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ৩০ দিন পর, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত, আটটি উপসাগরীয় দেশের অংশগ্রহণে ১৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সৌদি আরব ও কুয়েত মুখোমুখি হবে, যা সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবসের সঙ্গে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে টুর্নামেন্টের শুরুতেই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হবে।
পূর্ণাঙ্গ আয়োজন ও পরিচালনার প্রস্তুতি
স্থানীয় আয়োজক কমিটি মাঠ, অবকাঠামো, ম্যাচ পরিচালনা, পরিবহন, লজিস্টিকসহ বিভিন্ন খাতে প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে। অংশগ্রহণকারী দল, দর্শক ও গণমাধ্যমের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতেও কাজ চলছে। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য— টুর্নামেন্টকে উপসাগরীয় অঞ্চলের মর্যাদার সঙ্গে মানানসইভাবে সফলভাবে আয়োজন করা।
‘খলিজি ২৭’-এর সব ম্যাচ হবে কিং আবদুল্লাহ স্পোর্টস সিটি ও প্রিন্স আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে। ফলে জেদ্দা উপসাগরীয় ফুটবলের উত্তেজনায় মুখর থাকবে।
ড্র ও গ্রুপ বিভাজন
গত মে মাসে জেদ্দার ঐতিহাসিক এলাকায় অনুষ্ঠিত ড্র অনুযায়ী, সৌদি আরব পড়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে, তাদের সঙ্গে রয়েছে ইরাক, ওমান ও কুয়েত। গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ইয়েমেন।
আয়োজক কমিটির বক্তব্য ও টুর্নামেন্টের গুরুত্ব
স্থানীয় আয়োজক কমিটির প্রধান নির্বাহী মাই হিলাবি জানান, ৩০ দিন বাকি থাকায় এখন প্রস্তুতির শেষ ধাপে পৌঁছেছে আয়োজন। সব টিম ও অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় ও সম্পূর্ণ প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে টুর্নামেন্টের ঐতিহ্য বজায় থাকে।
তিনি আরও বলেন, ‘খলিজি ২৭’ সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টগুলোর একটি, যা আয়োজন দক্ষতা বাড়াতে ও টিমের প্রস্তুতি যাচাইয়ে ভূমিকা রাখবে। ২০২৭ সালের এশিয়া কাপ ফুটবল আয়োজনের আগে এই টুর্নামেন্ট সৌদি আরবের প্রস্তুতি আরও জোরদার করবে।
সৌদি আরবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের ধারাবাহিকতা
‘খলিজি ২৭’ ছাড়াও ২০২৬ সালে সৌদি আরব আরও কয়েকটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে—এর মধ্যে রয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়া কাপ, অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়া কাপ এবং এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। এসব আয়োজনের মাধ্যমে আয়োজক দেশ হিসেবে সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা ও অবকাঠামো আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।
