লা মাসিয়ার খেলোয়াড় বিক্রি করে বার্সেলোনার ৪৮.৭ মিলিয়ন ইউরো আয়
লা মাসিয়ার খেলোয়াড় বিক্রি করে চলতি গ্রীষ্মে বার্সেলোনা ৪৮.৭ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছে, ভবিষ্যৎ আয়ের সুযোগও রেখেছে।
মূল বিষয়
AIচলতি গ্রীষ্মে বার্সেলোনার জন্য আয়ের বড় উৎসে পরিণত হয়েছে ক্লাবের বিখ্যাত একাডেমি লা মাসিয়া। ক্লাবটি একাডেমির বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বিক্রি করে প্রায় ৪৮.৭ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছে। এসব চুক্তির অনেকগুলোতেই পুনরায় কেনার সুযোগ কিংবা ভবিষ্যৎ বিক্রির অংশীদারিত্ব রেখে দিয়েছে বার্সা।
স্প্যানিশ দৈনিক 'মুন্দো দেপোর্তিভো'-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যারা ক্লাব ছেড়েছেন, তাদের মধ্যে আছেন আনসু ফাতি, তোমি মার্কেজ, হেক্টর ফোর্ট, জোফ্রে তোরেন্স ও ইনিয়াকি পেনিয়া, সঙ্গে আরও কয়েকজন লা মাসিয়া গ্র্যাজুয়েট। ভেরিয়েবল বাদে, এই বিক্রির মোট আয় ৫০ মিলিয়ন ইউরোর কাছাকাছি পৌঁছেছে।
প্রধান চুক্তির বিস্তারিত
আনসু ফাতি: মোনাকোতে ১১ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি, ভবিষ্যৎ বিক্রিতে বার্সার অংশীদারিত্ব রয়েছে।
তোমি মার্কেজ: স্পোর্টিং ব্রাগায় ১১ মিলিয়ন ইউরোতে যোগ দিয়েছেন, অতিরিক্ত ভেরিয়েবল ও পুনরায় কেনার শর্ত রয়েছে।
হেক্টর ফোর্ট: রিয়াল সোসিয়েদাদে ৮.৫ মিলিয়ন ইউরোতে গেছেন, বার্সেলোনা ৬০% মালিকানা ও পুনরায় কেনার সুযোগ রেখেছে।
জোফ্রে তোরেন্স: আয়াক্সে প্রায় ৬ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি, আংশিক মালিকানা ও পুনরায় ফেরানোর সুযোগ রয়েছে।
আলভারো কোর্তেস: রয়্যাল অ্যান্টওয়ার্পে ৩.৫ মিলিয়ন ইউরোর বেশি দামে বিক্রি, পুনরায় কেনার শর্তসহ।
তোনি ফার্নান্দেজ: ভেনিসিয়ায় প্রায় ৪ মিলিয়ন ইউরোতে গেছেন, ভবিষ্যৎ বিক্রির ৫০% ও পুনরায় কেনার শর্ত রয়েছে।
ইনিয়াকি পেনিয়া: গ্রিসের পানাথিনাইকোসে প্রায় ৩ মিলিয়ন ইউরোতে চুক্তি, ২০২৯ সাল পর্যন্ত।
আন্দ্রেস কুইঙ্কা: ইতালির কোমোতে প্রায় ৭ লাখ ইউরোতে বিক্রি, ভবিষ্যৎ বিক্রিতে বার্সার অংশীদারিত্ব রয়েছে।
দানি রদ্রিগেজ: দিনামো জাগরেবে ৬ লাখ ইউরোতে গেছেন, পুনরায় কেনার ও ভবিষ্যৎ বিক্রির অংশীদারিত্ব রয়েছে।
সের্হি আলতিমেরা: রিয়াল বেতিস থেকে স্পোর্টিং লিসবনে যাওয়ায় বার্সেলোনা প্রায় ৪ লাখ ইউরো পেয়েছে, মালিকানার অংশ অনুযায়ী।
এসব চুক্তি দেখায়, ক্রীড়া ও আর্থিক—দুই দিক থেকেই বার্সেলোনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠেছে লা মাসিয়া। ক্লাবটি আর্থিক লাভের পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিভা ফেরানোর সুযোগও রেখে দিচ্ছে।
