মূল বিষয়বস্তুতে যান
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
বিশ্ব

হুথিদের বিরুদ্ধে ১০৩ বিলিয়ন ডলার লুটের অভিযোগ ইয়েমেনের মন্ত্রীর

ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মুমার আল-ইরিয়ানি বলেছেন, হুথি গোষ্ঠী ১০৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ লুট করেছে এবং দেশের সম্পদ যুদ্ধের জন্য ব্যবহার করছে।

আজেল বাংলা1 ঘণ্টা আগে · 1 মিনিট পড়া
ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মুমার আল-ইরিয়ানি সংবাদ সম্মেলনে

মূল বিষয়

AI

ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মুমার আল-ইরিয়ানি বলেছেন, ইরান সমর্থিত হুথি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যখনই তাদের হামলা বাড়াতে চায় বা নিজেদের সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ের দায় এড়াতে চায়, তখনই তারা 'অবরোধ' নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালায়।

'এক্স' প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক বার্তায় ইরিয়ানি বলেন, তথ্য ও বাস্তবতা প্রমাণ করে, হুথিরা দেশের অন্যতম বৃহৎ চাঁদাবাজি ও সমান্তরাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা দিয়ে তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে এবং ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রকল্পে অর্থ দিচ্ছে। অথচ, কোটি ইয়েমেনি দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও বেতন বন্ধের মুখে পড়েছে।

ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর থেকে হুথিরা তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সব ধরনের রাজস্ব—তেল ও গ্যাস, হুদাইদা, সালিফ ও রাস ইসা বন্দরের আয়, শুল্ক, কর, জাকাত, টেলিযোগাযোগ, তামাকসহ অসংখ্য অবৈধ চাঁদা—দখল করেছে। এসব থেকে তারা রাষ্ট্রের বাইরে সমান্তরাল অর্থনীতি গড়ে তুলেছে, যার আনুমানিক আয় ১০৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি। শুধু চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই তারা ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি লুট করেছে।

ইরিয়ানি বলেন, বিপুল এই সম্পদ থাকা সত্ত্বেও হুথিরা তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন দেয়নি। বরং, তারা অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন কেনা, নতুন যোদ্ধা নিয়োগ, নেতাদের সম্পদ বাড়ানো এবং ব্যবসা, আমদানি, জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ ও সম্পত্তি খাতে একচেটিয়া নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। ফলে ইয়েমেনিদের সম্পদ তাদের অভ্যুত্থানী প্রকল্পের স্থায়ী অর্থের উৎসে পরিণত হয়েছে।

ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হুদাইদা বন্দরে বাণিজ্যিক ও জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের প্রবাহ এবং জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় শত শত জাহাজ প্রবেশ করছে—এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, হুথিদের 'অবরোধ' নিয়ে প্রচার সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সমস্যার মূল কারণ কখনোই সম্পদের প্রবাহ নয়, বরং কে এই সম্পদ দখল করছে এবং কীভাবে জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে তা যুদ্ধের জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক সমাজকে ব্ল্যাকমেইলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

মন্তব্য (0)