মূল বিষয়বস্তুতে যান
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
বিশ্ব

বুলগেরিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমান মোতায়েনে ইরানের আপত্তি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বুলগেরিয়াকে মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন, একে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সহায়তা বলে মন্তব্য করেছেন।

আজেল বাংলা27 মিনিট আগে · 1 মিনিট পড়া
বেজমার ঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক বিমান

মূল বিষয়

AI

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বুলগেরিয়াকে মার্কিন সামরিক বিমান সাময়িকভাবে বেজমার ঘাঁটিতে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইরানি সরকারি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

বুলগেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিস্লাভা পেত্রোভা-চামোভা’র সঙ্গে টেলিফোনে আলাপে আরাকচি বলেন, মার্কিন সামরিক বিমান মোতায়েনের অনুমতি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, এ সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয় এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী।

এ প্রসঙ্গে তেহরান বারবার সতর্ক করেছে, যারা নিজেদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে দিচ্ছে, তাদের পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

এছাড়া, সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কনস্টান্টিনোস কোম্বোসের সঙ্গেও আলাদা ফোনালাপে আরাকচি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সাইপ্রাসের বিদেশি ঘাঁটি যেন ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে বুলগেরিয়ার পার্লামেন্ট বেজমার বিমানঘাঁটিতে সর্বোচ্চ আটটি মার্কিন কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমান ও ২৫০ জন সামরিক সদস্য সাময়িকভাবে মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে, যদিও ইরান এর বিরোধিতা করেছে। বুলগেরিয়া জানিয়েছে, সেখানে কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র মোতায়েন হবে না এবং তারা সামরিক অভিযানে সরাসরি জড়িত নয়।

এদিকে, সাইপ্রাসে দুটি ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো সার্বভৌম মর্যাদা পেয়েছে। এর মধ্যে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের আকরোতিরি ঘাঁটি মার্চের শুরুতে ইরানি ড্রোন হামলার শিকার হয়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা শুরুর পরপরই।

যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ব্রিটেন তাদের ঘাঁটি থেকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক হামলার অনুমতি দেয়। তবে পরে লন্ডন জানায়, আকরোতিরি ঘাঁটি এই প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পড়বে না। জুলাইয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দায়িত্ব নেওয়ার পরও এই ব্যবস্থা বহাল থাকে, এতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড লন্ডনকে সতর্ক করে মার্কিন সামরিক অভিযানে সহায়তা না করার আহ্বান জানায়।

মন্তব্য (0)