মরক্কোর মহাসড়কে নিজের নামে নামকরণে বাদশাহকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ
মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মরক্কোর বাদশাহ মোহাম্মদ ষষ্ঠকে নিজের নামে মহাসড়ক নামকরণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
মূল বিষয়
AIমার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মরক্কোর বাদশাহ মোহাম্মদ ষষ্ঠকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, তার নামে তিজনিত-দাখলা মহাসড়কের নামকরণ করায়। তিনি এটিকে "বড় সম্মান" বলে উল্লেখ করেছেন।
ট্রাম্প তার "ট্রুথ সোশ্যাল" প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে জানান, তিনি ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ এই মহাসড়কে ভ্রমণের অপেক্ষায় আছেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, "মরক্কোর বাদশাহ মোহাম্মদ ষষ্ঠকে এই বড় সম্মানের জন্য ধন্যবাদ। এটি আমার জন্য বিশাল সম্মান! আমি একদিন এই অসাধারণ মহাসড়কটি পুরোটা ভ্রমণ করতে চাই, আশা করি খুব শিগগিরই।"
মরক্কোর সংবাদপত্র "হেসপ্রেস" জানিয়েছে, তিজনিত-দাখলা মহাসড়কটি একটি কৌশলগত প্রকল্প, যা দেশের উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত ১,০৫৫ কিলোমিটার বিস্তৃত। এটি দক্ষিণাঞ্চলের সংযোগ জোরদার করে এবং সাহেল অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য আটলান্টিক মহাসাগরে পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ায়।
"বেলপ্রেস" পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কটি গুলিমিম, তানতান, লায়ুন, বোজদুর হয়ে দাখলায় পৌঁছেছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ১০ বিলিয়ন দিরহাম (প্রায় ৮৮০ মিলিয়ন ইউরো)। বহু বছরের নির্মাণকাজ শেষে এটি জানুয়ারি ২০২৫-এ পুরোপুরি চালু হবে।
এটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প, যার লক্ষ্য সড়ক নিরাপত্তা বাড়ানো, যাত্রার সময় কমানো এবং মরক্কোর উত্তর-দক্ষিণ বাণিজ্যিক সংযোগ জোরদার করা।
ট্রাম্প ও মরক্কোর সাহারা অঞ্চল
উল্লেখ্য, প্রথম দফা প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ট্রাম্প মরক্কোর সাহারা অঞ্চলের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এবং সংকট সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এজন্য মরক্কো তার নামে মহাসড়কের নামকরণ করেছে।
২০২০ সালের ডিসেম্বরে হোয়াইট হাউস ঘোষণা দেয়, যুক্তরাষ্ট্র মরক্কোর সাহারা অঞ্চলের ওপর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করেছে এবং মরক্কোর স্বায়ত্তশাসন প্রস্তাবকে সংকট সমাধানের ভিত্তি হিসেবে সমর্থন করেছে।
২০২৫ সালের আগস্টে ট্রাম্প আবারও এই স্বীকৃতি ও মরক্কোর স্বায়ত্তশাসন প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
