গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের নিন্দা
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মূল বিষয়
AIফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ মঙ্গলবার গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি অব্যাহতভাবে লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসন বেড়েই চলেছে এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আরও গণহত্যা চালানো হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দখলদার ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা থেকে উদ্ভূত চুক্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন করছে এবং এর দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে। এতে মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ইসরায়েলি সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব স্পষ্ট হচ্ছে—যা আগ্রাসন বন্ধ ও প্রতিশ্রুতি রক্ষার পথে বড় বাধা।
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বেসামরিক নাগরিক, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও মানবিক সুবিধাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং হত্যা, ধ্বংস ও খাদ্য সংকটের নীতি অব্যাহত রাখা—যদিও স্পষ্ট যুদ্ধবিরতি চুক্তি রয়েছে—এতে বোঝা যায়, ইসরায়েলি সরকার এই চুক্তিকে সাময়িক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে তারা আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়া, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা এবং গাজাবাসীর বিরুদ্ধে গণহত্যা ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
জরুরি আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান
এই প্রেক্ষাপটে, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টি প্রদানকারী দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলে ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
তারা আরও দাবি জানিয়েছে, গাজা উপত্যকায় মানবিক, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা নির্বিঘ্ন প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে, আগ্রাসন পুরোপুরি ও স্থায়ীভাবে বন্ধ, দখলদার বাহিনীর প্রত্যাহার, পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু এবং ১৯৬৭ সালের ৪ জুনের সীমান্তে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়েছে।