যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমেনি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, দেশটির দীর্ঘপাল্লার উচ্চ-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবর সঠিক নয়।
মূল বিষয়
AIযুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দেশটির দীর্ঘপাল্লার উচ্চ-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অস্বীকার করেছেন। সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় এসব ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহৃত হয়েছে বলে কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
তিনটি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ মাস আগে ইরানের সঙ্গে শুরু হওয়া যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী তাদের অধিকাংশ দীর্ঘপাল্লার উচ্চ-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এতে ভবিষ্যৎ যেকোনো সংঘাতের জন্য মার্কিন বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ব্যবহৃত অস্ত্রের মধ্যে ছিল সেনাবাহিনীর ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম ‘অ্যাটাকমস’ এবং ‘প্রিজম’ ক্ষেপণাস্ত্র, যেগুলো দীর্ঘপাল্লার ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য। দুইটি সূত্র বলেছে, সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় সব ধরনের এই গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে।
তবে কোনো সূত্রই এই দুই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের অবশিষ্ট মজুতের পরিমাণ জানায়নি, এবং এ পর্যন্ত এসব ক্ষেপণাস্ত্রের প্রকৃত ব্যবহারের পরিসংখ্যানও প্রকাশ করা হয়নি।
‘অ্যাটাকমস’ ও ‘প্রিজম’ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সবচেয়ে নির্ভুল অস্ত্রের মধ্যে অন্যতম। প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম ১০ লাখ ডলারের বেশি। এগুলো দূরপাল্লার হামলা চালাতে সক্ষম এবং সেনাদের ঝুঁকি কমায়। ইউক্রেন যুদ্ধেও অ্যাটাকমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে, প্রিজম হচ্ছে নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র, যা আরও বেশি পাল্লা ও সক্ষমতা নিয়ে অ্যাটাকমসের জায়গা নিতে তৈরি হচ্ছে।
