মূল বিষয়বস্তুতে যান
শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬ · রিয়াদ
العربيةEnglishনিউজলেটারযোগাযোগ
বিশ্ব

ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডের অর্থায়ন বন্ধে ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডের অর্থায়ন বন্ধে তথ্য দিলে ১৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, অর্থ লেনদেনের নেটওয়ার্ক ভাঙতে এই পদক্ষেপ।

আজেল বাংলা1 ঘণ্টা আগে · 2 মিনিট পড়া
যুক্তরাষ্ট্রের পুরস্কার ঘোষণার পোস্টার

মূল বিষয়

AI

ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা ও নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে সহায়ক তথ্যের জন্য ১৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। তেহরান যেসব চ্যানেল ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ ও স্থানান্তর করে, সেগুলো লক্ষ্য করেই এই নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দপ্তরটি।

এই পুরস্কার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের 'ন্যায়বিচারের জন্য পুরস্কার' কর্মসূচির আওতায় দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে অবৈধ অর্থায়নের উৎস শনাক্ত বা আইআরজিসি ও কুদস ফোর্সের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক ও বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক উন্মোচনে সহায়ক তথ্যের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযান আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট অর্থের গতিপথ অনুসরণে কেন্দ্রীভূত, যার মধ্যে রয়েছে ফ্রন্ট কোম্পানি, মানি এক্সচেঞ্জ নেটওয়ার্ক, আর্থিক লেনদেন ও তেল বাণিজ্য।

ওয়াশিংটন বলছে, এসব চ্যানেলের মাধ্যমে আইআরজিসি ও তাদের প্রতিনিধিদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়, যা তাদের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই অর্থায়নে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।

পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, যেসব তথ্য এসব অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা ভেঙে দিতে সহায়ক হবে, সেগুলো পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

এই পদক্ষেপ এসেছে এমন সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াচ্ছে। ওয়াশিংটন যেসব প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি ও মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ স্থানান্তর বা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তার অভিযোগ করছে, তাদের লক্ষ্য করেই এই পদক্ষেপ।

যুক্তরাষ্ট্রের এই চাপের আওতায় রয়েছে তেল, জ্বালানি, ব্যাংকিং খাত, পাশাপাশি শিপিং নেটওয়ার্ক ও আর্থিক মধ্যস্থতাকারীরা, যাদের বিরুদ্ধে ইরানি নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।

একইসঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়িয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আর্থিক নেটওয়ার্ক ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন প্ল্যাটফর্ম।

ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব প্রতিষ্ঠান অর্থ স্থানান্তর সহজতর করে বা নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ইরানি সংস্থাগুলোকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশে সহায়তা করে।

'ন্যায়বিচারের জন্য পুরস্কার' কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এমন তথ্য সংগ্রহ করতে চায়, যা এসব নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে ও আইআরজিসির অর্থায়ন সীমিত করতে সহায়ক হবে, যাতে তারা ইরান ও দেশের বাইরে তাদের কার্যক্রম চালাতে না পারে।


মন্তব্য (0)